ট্রাব বিজনেস সিএসআর অ্যাওয়ার্ডে সম্মানিত মালদ্বীপ প্রবাসী হাদিউল ইসলাম

সোহেল রানা, মালদ্বীপ প্রতিনিধি: ব্যবসায়িক দক্ষতা, সামাজিক দায়বদ্ধতা এবং সাংস্কৃতিক অঙ্গনে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে “গ্লোবাল ব্র্যান্ডস–ট্রাব বিজনেস সিএসআর অ্যান্ড কালচারাল অ্যাওয়ার্ড–২০২৫”-এ সম্মানিত হয়েছেন মালদ্বীপ প্রবাসী বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মোঃ হাদিউল ইসলাম।
মঙ্গলবার (৫ মে) রাজধানী ঢাকার অভিজাত হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালের ক্রিস্টাল বলরুমে আড়ম্বরপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয় এ সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠান। দেশ-বিদেশের ব্যবসা, সংস্কৃতি ও গণমাধ্যমের প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠানটি হয়ে ওঠে জাঁকজমকপূর্ণ ও প্রাণবন্ত।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সমাজকল্যাণ মন্ত্রী ডা. আবু জাফর মো. জাহিদ হোসেন এমপি। উদ্বোধন করেন সংস্কৃতি মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ হাবিব এমপি, বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক অ্যাডভোকেট বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন, সংসদ সদস্য এবিএম মোশাররফ হোসেন ও রফিকুল আলম মজনুসহ বিভিন্ন অঙ্গনের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।
এছাড়াও অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন দি প্রিমিয়ার ব্যাংক পিএলসি’র চেয়ারম্যান ডা. আরিফুর রহমান, বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার ব্যবস্থাপনা পরিচালক কামাল উদ্দিন সবুজ, রিহ্যাব সভাপতি ড. আলী আফজাল, নতুনধারা গ্রুপের এমডি ড. মো. সাদী-উজ-জামান, বৈশাখী টেলিভিশনের এমডি মো. রফিকুল আমীন এবং এনটিভির পরিচালক আলহাজ নুরুদ্দিন আহমেদসহ আরও অনেকে।
সার্ক চলচ্চিত্র সাংবাদিক ফোরামের সভাপতি রেদুয়ান খন্দকারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন ট্রাব সভাপতি সালাম মাহমুদ, সহ-সভাপতি সুজন দে, সাংগঠনিক সম্পাদক হাফিজ রহমান এবং উদযাপন কমিটির চেয়ারম্যান চিত্রনায়ক ওস্তাদ জাহাঙ্গীর আলম।
অনুষ্ঠানে কিংবদন্তি সংগীতশিল্পী সাবিনা ইয়াসমিন ও রন্ধনশিল্পী কেকা ফেরদৌসীকে আজীবন সম্মাননা প্রদান করা হয়। পাশাপাশি প্রয়াত সংগীতশিল্পী বশির আহমেদ এবং বিউটি শিল্পের পথিকৃৎ আলী আহমেদকে মরণোত্তর সম্মাননায় ভূষিত করা হয়।
একই অনুষ্ঠানে অর্থনীতি, শিল্প, ব্যবসা, সংস্কৃতি ও গণমাধ্যমে অবদানের জন্য দেশের বিভিন্ন গুণীজনকে সম্মাননা দেওয়া হয়। এরই অংশ হিসেবে এইচ আর ইন্ডাস্ট্রি প্রাইভেট লিমিটেড-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক হাদিউল ইসলাম তাঁর ব্যবসায়িক সাফল্য, মানবকল্যাণমূলক উদ্যোগ এবং সাংস্কৃতিক অঙ্গনে সক্রিয় ভূমিকার জন্য এ মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কার অর্জন করেন।
এই সম্মাননা প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য গৌরবের প্রতীক হয়ে উঠেছে এবং নতুন প্রজন্মের উদ্যোক্তাদের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
ওএফ



