জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘ইরানের সহশীলতা ও প্রতিরোধ: বিশ্বের জন্য শিক্ষা’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘ইরানের সহশীলতা ও প্রতিরোধ: বিশ্বের জন্য শিক্ষা’ শীর্ষক একটি সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার ( ৬ জুলাই ) সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন কলা ভবন অডিটরিয়ামে আয়োজিত এ সেমিনারে ইরান ও বাংলাদেশের শিক্ষাবিদ, গবেষক এবং শিক্ষকরা অংশ নেন।
বিশ্ববিদ্যালয়ের মানবিক ও সামাজিক বিজ্ঞান বিষয়ক সমন্বিত গবেষণা কেন্দ্রের উদ্যোগে আয়োজিত এ সেমিনারে প্রধান আলোচক ছিলেন ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরানের সর্বোচ্চ নেতার দপ্তরের আন্তর্জাতিক সম্পর্কবিষয়ক উপদেষ্টা ড. সাইয়্যেদ মাহদী আলীযাদেহ মুসাভী। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকাস্থ ইরান সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের কালচারাল কাউন্সেলর ড. মাহদী মৌলায়ী অরনি।
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের অধ্যাপক ও মানবিক ও সামাজিক বিজ্ঞান বিষয়ক সমন্বিত গবেষণা কেন্দ্রের পরিচালক ড. মোহাম্মদ গোলাম রব্বানীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সেমিনারে বিশেষ আলোচক হিসেবে বক্তব্য দেন সরকার ও রাজনীতি বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক ড. নাসিম আখতার হুসাইন। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো. রাশিদুল ইসলাম রাসেল। স্বাগত বক্তব্য দেন দর্শন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ও গবেষণা কেন্দ্রের সমন্বয়ক মুহাম্মদ উল্লাহ।

সেমিনারে বক্তারা ইরানের সাম্প্রতিক ইতিহাস, ইসলামী বিপ্লব-পরবর্তী সময়, যুদ্ধ, অবরোধ এবং দেশটির রাজনৈতিক ও সামাজিক অভিজ্ঞতা নিয়ে আলোচনা করেন। তারা বলেন, বিপ্লব-পরবর্তী সময়ে ইরান নানা ধরনের চ্যালেঞ্জ ও আন্তর্জাতিক চাপের মুখোমুখি হলেও দেশটি বিভিন্ন ক্ষেত্রে অগ্রগতি অর্জন করেছে।
বক্তাদের বক্তব্যে আরও উঠে আসে যে, ইরানের শক্তির উৎস হিসেবে তারা সামরিক সক্ষমতার পাশাপাশি আদর্শিক ও সামাজিক শক্তির কথাও উল্লেখ করেন। তাদের মতে, সফট পাওয়ার ও হার্ড পাওয়ারের সমন্বয়, জাতীয় ঐক্য এবং আত্মত্যাগের মানসিকতা দেশটির প্রতিরোধ সক্ষমতা বৃদ্ধি করেছে।
সেমিনারে বক্তারা আরও বলেন, বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে অন্যায়, নিপীড়ন ও বৈষম্যের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধ গড়ে তুলতে বিভিন্ন দেশের অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নেওয়া প্রয়োজন। এ সময় তারা ইরানের অভিজ্ঞতা নিয়ে গবেষণা ও একাডেমিক আলোচনার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
ওএফ



