উইলিয়ামসন এলেন, দেখলেন, জয় করলেন

ভিনি, ভিডি, ভিসি—এলাম, দেখলাম, জয় করলাম।
ক্রিকেটপ্রেমী, বিশেষ করে বিপিএলের ২০২৬ সালের দর্শকের কাছে মনে হতে পারে কথাটি কেইন উইলিয়ামসনের। আসলে তা নয় !
বিখ্যাত রোমান সম্রাট জুলিয়াস সিজার খ্রিস্টপূর্ব ৫৫ অব্দে অতি সহজে বৃহৎ ব্রিটেনকে জয় করে কথাটি বলেছিলেন।
দুই হাজারেরও বেশি বছর পেরিয়ে, সময়ের ব্যবধানে প্রবাদে পরিণত হওয়া এই কথাটা মনে করিয়ে দেন নিউজিল্যান্ডের তারকা ক্রিকেটার কেইন উইলিয়ামসন দারুণ দুটি ম্যাচ খেলে।
বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল) এর দ্বাদশ আসরে প্রথম কোয়ালিফায়ারে চট্টগ্রাম রয়্যালসের কাছে হেরে সরাসরি ফাইনালে যাওয়ার সুযোগ হারায় রাজশাহী ওয়ারিয়র্স।
ঠিক সেসময় রাজশাহী ওয়ারিয়র্সের জন্য আশা ভরসার একমাত্র দূত হয়ে আসেন কেইন উইলিয়ামসন। প্রথমবার বিপিএল খেলতে আসেন তিনি, প্রথমবারেই করেন বাজিমাত।
বিপিএলের দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ারে সিলেট টাইটান্সের মুখোমুখি হয় রাজশাহী ওয়ারিয়র্স। সেই ম্যাচের মাধ্যমেই বিপিএলে অভিষেক হয় উইলিয়ামসনের।
সিলেট টাইটান্সের বোলিং তোপে একের পর এক উইকেট হারাতে থাকে রাজশাহী। ঠিক তখন শেষ পর্যন্ত ব্যাটিং ধরে রেখে জিমি নিশামকে স্ট্রাইক দিয়ে ১৬৫ রানের ইনিংস দাড়ঁ করান অভিজ্ঞ এই ক্রিকেটার।
অবশেষে সেই ম্যাচে দুর্দান্ত বোলিং করে সিলেটকে হারিয়ে ফাইনালে পৌছে যায় রাজশাহী ওয়ারিয়র্স।
শেষমেষ ফাইনাল ম্যাচে চট্টগ্রাম রয়্যালসের বিপক্ষে দুর্দান্ত সেঞ্চুরি তানজিদ হাসান তামিম। এদিকে উইলিয়ামসন ১৫ বলে করেন ২৪ রান। রাজশাহী ওয়ারিয়র্সের দেওয়া ১৭৫ রানের টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে বোলিং তোপে ১১১ রানের মাথায় ১০ উইকেট হারিয়ে ফেলে চট্টগ্রাম রয়্যালস।
যার ফলে ৬৩ রানে জয়ী হয়ে, দ্বিতীবারের মতো বিপিএলে চ্যাম্পিয়ন হয় রাজশাহী।
ফাইনালে তেমন কোন ভূমিকা না রাখেলেও রাজশাহীকে ফাইনালে উঠানোর ক্ষেত্রে উইলিয়ামসনের ভূমিকা ছিলো অপরিসীম। তাই নিঃসন্দেহে বলা যায় উইলিয়ামসন এলেন, দেখলেন, জয় করলেন।
ওএফ



