ঢাকা-খুলনা ও ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে দুর্ঘটনায় বাড়ছে প্রাণহানি

ঢাকা-খুলনা ও ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের বঙ্গবন্ধু এক্সপ্রেসওয়ে যেন এখন এক মরন ফাঁদ। এই মহাসড়কে অদক্ষ চালকের বেপরোয়া গতির কারনে ফরিদপুর অংশে প্রতিনিয়ত ঘটছে দূর্ঘটনায়। ফলে বাড়ছে মৃত্যুর মিছিল। এক্সপ্রেসওয়ে চালুর পর থেকে এ পর্যন্ত ৮৮টি সড়কে দূর্ঘটনায় প্রান হারিয়ে ৯৫ জন। আর আহত হয়েছে ১২৪ জনেরও বেশী। যাদের অনেকেই পঙ্গত্ব বরন করেছে। ঈদ যাত্রায় এ মহাসড়কে দুর্ঘটনার বাড়ার আশঙ্কা করছে এ রুটে যাতায়াতকারীরা।
বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে তৈরী করা হয়েছে বঙ্গবন্ধু এক্সপ্রেসওয়ে। গাড়ি চলাচলের জন্য দেয়া হয়েছে গতিসীমা। তবে এই গতিসীমার কোন তোয়াক্কা না করেই ওভার স্প্রীডে গাড়ি চলাচল করছে এক্সপ্রেসওেয়তে। ফলে প্রতিনিয়ত ঘটছে দূর্ঘটনা। সেই সাথে বাড়ছে মৃত্যুর মিছিল। আর এ দূর্ঘটনার ফলে ঢাকা-খুলনা ও ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের বঙ্গবন্ধু এক্সপ্রেসওয়ের ফরিদপুর অংশ যেন এখন এক মরন ফাঁদে পরিনত হয়েছে।
সম্প্রতিক সময়ে একই পরিবারের ৪ জনসহ ৫জন এই মহাসড়কে নিহত হয়েছেন। আর এই এক্সপ্রেসওয়ে চালুর পর থেকে এ পর্যন্ত সড়ক এই এক্সপ্রেসওয়েতে ৮৮টি দূর্ঘটনা ঘটেছে। আর তাতে মৃত্যু হয়েছে ৯৫ জনের। এসব দূর্ঘটনায় ১২৪ জন আহত হয়েছে। যাদের অনেকেই এখন পঙ্গত্ব বরন করেছে। তবে এই দূর্ঘটনার অন্যতম প্রধান কারন হিসেবে ফিটনেসবিহীন গাড়ি ও অদক্ষ চালকের বেপরোয়া গতিকেই দায়ী করছেন স্থানীয়রা।
বর্তমানে ঈদকে সামনে রেখে পুরাতন ও লক্কর ঝক্কর গাড়ীগুলোতে রং করে সড়কে নামানোর পাঁয়তারা করছে বাস মালিকেরা। চালকেরা বলছেন অভিজ্ঞ চালকের অভাব এবং কমবয়সী ড্রাইভারদের উগ্রতার কারনে দূর্ঘটনা বাড়ছে প্রতিনিয়ত।
দূর্ঘটনা রোধে নিয়মিত মামলা চলমান রয়েছে বলে জানান হাইওয়ে পলিশের এ কর্মকর্তা।
দূর্ঘটনা রোধে গুরুত্বপূর্ন এই এক্সপ্রেসওয়েতে গাড়ির গতি নিয়ন্ত্রনে সরকার দ্রত পদক্ষেপ গ্রহন করবে এমনটাই প্রত্যাশা ফরিদপুর বাসীর।
বাংলা টিভি / বুলবুল



