বাংলাদেশ ও মালদ্বীপের মধ্যে তিনটি চুক্তি-সমঝোতা সই

স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও দ্বৈত কর পরিহারসহ বিভিন্নখাতে সহযোগিতা জোরদারে, বাংলাদেশ ও মালদ্বীপের মধ্যে একটি চুক্তি ও দুটি সমঝোতা স্মারক সাক্ষরিত হয়েছে।
মালদ্বীপে সফররত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে, দেশটির প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম মোহাম্মদ সলিহ’র আনুষ্ঠানিক বৈঠকের পর এসব চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক সাক্ষরিত হয়। পরে যৌথবিবৃতিতে, জলবায়ু ইস্যুসহ বিভিন্ন বিষয়ে একযোগে কাজ করার কথা জানান দুই নেতা।
মালদ্বীপে ৬ দিনের সরকারি সফরের দ্বিতীয়দিন সকালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রাজধানী মালেতে দেশটির রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ে পৌঁছালে, তাঁকে আনুষ্ঠানিকভাবে অভ্যর্থনা জানান মালদ্বীপের প্রেসিডের্ট ইব্রাহিম মোহাম্মদ সোলিহ। এসময় বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে গার্ড অব অনার ও গান স্যালুট দেয়া হয়। প্রধানমন্ত্রী উভয় দেশের ‘লাইন অব প্রেজেন্টেশন’ পরিদর্শন করেন।
পরে দুই দেশের সরকারপ্রধানের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এসময় পারষ্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করেন তারা।
বৈঠক শেষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম মোহাম্মদ সলিহ’র উপস্থিতিতে দু’দেশের সম্পর্ককে আরও এগিয়ে নিতে ঢাকা ও মালের মধ্যে স্বাস্থ্য, শিক্ষা, দ্বৈত কর পরিহার এবং যুব ও ক্রীড়া বিষয়ে ১টি চুক্তি ও ২টি সমঝোতা স্মারক সাক্ষরিত হয়। এছাড়া বন্ধুত্বের নিদর্শন হিসেবে, বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে মালদ্বীপ সেনাবাহিনীকে উপহার হিসেবে দেয়া ১৩টি সামরিক যানের চাবি হস্তান্তর করা হয়।
এরপর যৌথ বিবৃতি দেন দুই নেতা। সন্ত্রাস-জঙ্গিবাদ দমনসহ বিভিন্ন ইস্যুতে এক সঙ্গে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন মালদ্বীপের রাষ্ট্রপতি।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, মালদ্বীপে থাকা অনিয়মিত বাংলাদেশী অভিবাসীদের ভিসা বৈধতার আশা প্রকাশ করেন। এছাড়া রোহিঙ্গা সংকট ও জলবায়ু ইস্যুতে একযোগে কাজ করার আহবান জানান তিনি।
মালদ্বীপের সাথে দ্বিপক্ষীয় আলোচনা ফলপ্রসূ হয়েছে উল্লেখ করে, বিনিয়োগ বাড়াতে দু’দেশের অগ্রাধিকারমূলক বাণিজ্যচুক্তি সাক্ষরের ওপর গুরুত্বারোপ করেন শেখ হাসিনা।
দেশটিতে নিজের প্রথম সরকারি সফরে, বাংলাদেশ-মালদ্বীপ সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় এগিয়ে যাবে বলেও আশা প্রকাশ করেন বঙ্গবন্ধু কন্যা।
বাংলাটিভি/ সাকিব



