দ্রুত যেতে না পারলে ঝুঁকির মধ্যে পড়বে কোরিয়ায় বাংলাদেশী শ্রমবাজার

অল্প সময়ের মধ্যে কোরিয়া ফ্লাইট চালু ও কোরিয়ার ইপিএস কর্মীরা নিজ কাজে ফেরত যেতে না পারলে বড় ধরনের ঝুঁকির মধ্যে পড়তে পারে কোরিয়ায় বাংলাদেশী শ্রমবাজার। কোরিয়া প্রবাসী ইপিএস কর্মীরা বলছেন কুটনৈতিক আলোচনার মাধ্যমে দ্রুত এ সমস্যা সমাধান না করা গেলে বিশ্বের অন্যান্য দেশ থেকে শ্রমিক নিয়ে কোরিয়ায় বাংলাদেশী শ্রমবাজার দখল হবার শঙ্কা দেখা দিয়েছে।
বিশ্বের অন্যান্য দেশের মত কোরিয়ার শ্রমবাজার দেশের অর্থনীতিতে বেশ ভুমিকা রেখে চলেছে।২০০৮ সাল থেকে ইমপ্লয়মেন্ট পারমিট সিস্টেম ইপিএস এর মাধ্যমে বাংলাদেশ থেকে কর্মী সংগ্রহ করে আসছে দেশটি। এখন পর্যন্ত বৈধভাবে প্রায় ২২ হাজার শ্রমিক কর্মরত রয়েছে কোরিয়াতে।
করোনা মহামারীতে অন্যান্য দেশগুলোর মত ধাক্কা খেয়েছে কোরিয়ার শ্রমবাজারও। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে অনেক দেশের শ্রমবাজারের দ্বার পুনরায় উন্মোচিত হলেও বাংলাদেশী কোরিয়া শ্রমবাজার এখোনো অন্ধকারেই রয়ে গেছে।
২০২১ সালের ফেব্রুয়ারীতে দেশটির সরকার ভিসা নিষেধাজ্ঞা উঠিয়ে দেয়।ওই সময় করোনার পজেটিভ রিপোর্টকে জালিয়াতির মাধ্যমে নেগেটিভ রিপোর্ট বানিয়ে নিয়ে কোরিয়ায় প্রবেশ করে অনেক বাংলাদেশী।পরে কোরিয়ায় স্বাস্থ্য পরীক্ষায় পজেটিভ ধরা পড়ে বেশ কিছু শ্রমিক। এর ফলে আবারো নিষেধাজ্ঞার কবলে পরেছে বাংলাদেশ।
বিশ্বের অন্যান্য দেশের সাথে কোরিয়ার ফ্লাইট চালু হলেও বাংলাদেশের সাথে কোরিয়ার ফ্লাইট এখোনো চালু হয় নি। আর তাই কুটনৈতিক তৎপরতা আরো জোড়দারের তাগিদ কোরিয়া প্রবাসীদের।
অচিরেই এসমস্যা সমাধান না করা গেলে অন্যান্য দেশ থেকে শ্রমিক নিয়ে কোরিয়ায় বাংলাদেশী শ্রমবাজার দখল হবার শঙ্কা দেখা দিয়েছে বলে আতংকিত বাংলাদেশী শ্রমিকরা।
চাকরি চুক্তির বিধি অনুযায়ী ৩ মাসের জন্য দেশে এসেছিলেন অনেক কোরিয়ান প্রবাসী বাংলাদেশী। কিন্তু করোনা প্রাদুর্ভাবে ১৪ মাস পার হয়ে গেলোও তারা এখনো কোরিয়ায় ফিরতে পারেননি তাদের কর্মস্থলে। এ অবস্থায় মানবেতর জীবন যাপন করছেন তারা। দীর্ঘদিন আটকে পড়ায় চুক্তি বাতিলেরও শঙ্কা দেখা দিয়েছে কোরিয়া প্রবাসী রেমিটেন্স যোদ্ধাদের মনে।
বাংলাটিভি/ এস



