Jannah Theme License is not validated, Go to the theme options page to validate the license, You need a single license for each domain name.
Uncategorized

ট্রাম্পের ‘বোর্ড অব পিস’-এ যোগ দিচ্ছেন পুতিন, দিতে চান ১০০ কোটি ডলার

গাজা উপত্যকা পুনর্গঠনে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রস্তাবিত ‘বোর্ড অব পিস’ বা শান্তি পর্ষদে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের ১০০ কোটি ডলার অনুদানের প্রস্তাবটি বর্তমানে বিশ্বরাজনীতিতে একটি বড় চমক হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। গতকাল ২১ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে রুশ নিরাপত্তা পরিষদের বৈঠকে পুতিন এই ঘোষণা দেন। তিনি জানান যে, ফিলিস্তিনি জনগণের সঙ্গে রাশিয়ার ঐতিহাসিক ও বিশেষ সম্পর্কের খাতিরে তিনি এই শান্তি উদ্যোগে সহায়তা করতে আগ্রহী।

সেই প্রস্তাবে রুশ প্রেসিডেন্ট বলেছেন, ডোনাল্ড ট্রাম্পের পূর্বসূরী প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের প্রশাসনের সময় যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন ব্যাংকে জমা রাখা রাশিয়ার যে অর্থ ফ্রিজ করা হয়েছিল— সেখান থেকে ১০০ কোটি ডলার যেন গাজা বোর্ড অব পিসে অনুদান হিসেবে দেওয়া হয়।

গাজা বোর্ড অব পিস পরিষদের সদস্যপদের জন্য ইতোমধ্যে প্রেসিডেন্ট পুতিনকে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। রাশিয়ান সিকিউরিটি কাউন্সিলের বৈঠকে ট্রাম্পের সেই আমন্ত্রণের বিষয়ে রুশ প্রেসিডেন্ট জানান, এখনও এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেয়নি মস্কো।

বৈঠকে পুতিন বলেন, ‘গাজা বোর্ড অব পিসে আমন্ত্রণ জানানোর জন্য প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি। রাশিয়া এখনও এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেয়নি। আমন্ত্রণ পর্যালোচনা এবং কৌশলগত মিত্রদের সঙ্গে আলোচনার পরই এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিতে পারবে মস্কো। সেজন্য আরও সময় প্রয়োজন।’

তিনি বলেন, ‘তবে ফিলিস্তিনের জনগণের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক সব সময়েই বিশেষ। আমরা গাজা পুনর্গঠনে সহায়তা হিসেবে হিসেবে ১০০ কোটি ডলার দিতে চাই এবং আমাদের প্রস্তাব হলো— বিগত বাইডেন প্রশাসন যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন ব্যাংকে গচ্ছিত থাকা যে রুশ অর্থ ফ্রিজ করেছিল— সেখান থেকে এই অর্থ নেওয়া হোক। আমরা আরও চাই, গাজা ‘বোর্ড অব পিস’-এ যোগদানের ব্যাপারে মস্কো সিদ্ধান্ত গ্রহণের আগেই যেন এ পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়।’

ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রস্তাবিত গাজা ‘বোর্ড অব পিস’ বা শান্তি পর্ষদ মূলত গাজার যুদ্ধ-পরবর্তী ভবিষ্যৎ নির্ধারণে একটি শক্তিশালী প্রশাসনিক কাঠামো হিসেবে আবির্ভূত হতে যাচ্ছে। ট্রাম্পের পরিকল্পনা অনুযায়ী, গাজায় কোনো রাজনৈতিক দল নয়, বরং একটি অরাজনৈতিক টেকনোক্র্যাট সরকার শাসনভার পরিচালনা করবে। এই সরকার সরাসরি শান্তি পর্ষদের নির্দেশনা অনুযায়ী কাজ করবে, যার ফলে গাজার অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে স্থানীয় বা আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক দলগুলোর প্রভাব অনেকাংশে কমে আসবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ট্রাম্পের এই আমন্ত্রণে বিশ্বজুড়ে বেশ সাড়া পাওয়া যাচ্ছে, যা তার এই পরিকল্পনার আন্তর্জাতিক গ্রহণযোগ্যতা বাড়িয়েছে। ইতোমধ্যেই পাকিস্তান, হাঙ্গেরি, মরক্কো, কাজাখস্তান এবং আর্জেন্টিনার মতো দেশগুলো এই শান্তি পর্ষদে যোগ দেওয়ার ব্যাপারে ইতিবাচক সম্মতি জানিয়েছে।

সংশ্লিষ্ট খবর

Back to top button