বাংলাদেশের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নিয়েছে ওমান সিভিল এভিয়েশন

সংযুক্ত আরব আমিরাতে ভ্রমণে যেতে বিদেশিদের জন্য নির্দেশনা দিয়েছে দেশটির সরকার। অনুমোদিত টিকা নেয়া থাকলেও বেশ কিছু নির্দেশনা ফেডারেল অথরিটি ফর আইডেন্টিটি অ্যান্ড সিটিজেনশিপ এর ওয়েবসাইটে প্রকাশ করেছে দেশটির সরকার।অন্যদিকে,চীনের তৈরী করোনাভাইরাসের নতুন দুইটি টিকার অনুমোদন দিয়েছে সৌদি আরব। পাশাপাশি বাংলাদেশের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নিয়েছে ওমান সিভিল এভিয়েশন অথরিটি। ১ সেপ্টেম্বর থেকে ওমানে প্রবেশ করতে পারবেন বাংলাদেশিরা।
বিশ্বে করোনা সংক্রমণের পর থেকে একটাই প্রশ্ন ছিল, কখন কীভাবে মুক্তি মিলবে এই ভয়ংকর দানবের তান্ডব থেকে। সকল সংশয় দূরে ঠেলে মাত্র এক বছরের মাথায় পরীক্ষার সব ধাপ সম্পন্ন করে কার্যকরী ভ্যাকসিন আবিষ্কৃত হয়েছে। ইতোমধ্যে অনেক দেশের মানুষ এ টিকা গ্রহণ করছেন।
করোনা সংক্রমণের পর কিন্তু দেশভেদে ফ্লাইট বন্ধ রাখে অনেকেই। তবে, সম্প্রতি ভ্যাকসিনের সুফলে কমতে শুরু করেছে করোনা সংক্রমণের হার। এর ফলে বিভিন্ন দেশ শর্তসাপেক্ষে ফ্লাইট চালুর অনুমতি দিয়েছে।
সংযুক্ত আরব আমিরাতে ভ্রমণে ইচ্ছুকদের জন্য কিছু নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। দেশটির নাগরিকত্ব কর্তৃপক্ষ ফেডারেল অথরিটি ফর আইডেন্টিটি অ্যান্ড সিটিজেনশিপ আইসিএ এর ওয়েবসাইটে অনুমোদন করা টিকার তালিকা দেওয়া রয়েছে। এগুলো হলো সিনোফার্ম, ফাইজার-বায়োএনটেক, স্পুটনিক, অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকা, জনসন অ্যান্ড জনসন, মডার্না এবং স্পুটনিক ভি ভ্যাকসিন।
এসব টিকা গ্রহনকারীরা বিদেশিরাই কেবল সংযুক্ত আরব আমীরাতে প্রবেশ করতে পারবে । তবে টিকা গ্রহণের সার্টিফিকেটের ক্ষেত্রে থাকতে হবে বেশ কিছু তথ্য। কোন টিকা কোন তারিখে নেওয়া হয়েছে তা সার্টিফিকেটে উল্লেখ থাকতে হবে। এছাড়া সার্টিফিকেটে থাকা কিউআর কোডটিও কার্যকর হতে হবে। আর টিকা গ্রহণের সার্টিফিকেটে কিউআর কোড না থাকলে বিদেশিদের আবেদনপত্রটি আমিরাতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সত্যায়ন করা থাকতে হবে।
এদিকে,করোনাভাইরাসের নতুন দুইটি টিকার অনুমোদন দিয়েছে সৌদি আরব। অনুমোদন পাওয়া টিকা দুইটি হলো চীনের তৈরি সিনোভ্যাক এবং সিনোফার্ম। এর আগে দেশটিতে অনুমোদিত টিকা ছিলো চারটি। সেগুলো হলো অক্সফোর্ডের অ্যাস্ট্রাজেনেকা, ফাইজার-বায়োএনটেক, জনসন অ্যান্ড জনসন এবং মডার্না।
এর আগে সৌদি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানায়, সিনোফার্ম ও সিনোভ্যাক টিকার পূর্ণ ডোজ গ্রহণকারীদের দেশটিতে প্রবেশের সুযোগ রয়েছে। তবে সেক্ষেত্রে সৌদিতে অনুমোদন পাওয়া চারটি টিকার যে কোনও একটির বুস্টার ডোজ গ্রহণের প্রয়োজন ছিলো।
অন্যদিকে,প্রায় চার মাস পর বাংলাদেশের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নিয়েছে ওমান সিভিল এভিয়েশন অথরিটি। পহেলা সেপ্টেম্বর থেকে বাংলাদেশিরা ওমানে প্রবেশ করতে পারবেন। তবে যারা দেশটির অনুমোদিত করোনা ভাইরাসের টিকা নিয়ে ১৪ দিন পার করেছেন শুধুমাত্র তাদেরকেই প্রবেশের অনুমিত দেবে ওমান কর্তৃপক্ষ। এছাড়া দেশটি প্রবেশের পূর্বে পিসিআর পদ্ধতিতে করোনা নেগেটিভ রিপোর্টও থাকতে হবে। ওমান সরকারের অনুমোদিত টিকা হচ্ছে সিনোফার্ম, ফাইজার-বায়োএনটেক, স্পুটনিক, অ্যাস্ট্রাজেনেকা, জনসন অ্যান্ড জনসন, মডার্না এবং স্পুটনিক ভি ভ্যাকসিন।
বাংলাটিভি/ শহীদ



