
যাবতীয় শর্ত মেনে ১ জুন থেকে শুরু হয়েছে ছোট পর্দার অনুষ্ঠানের জন্য শুটিং। ঝুঁকি কমাতে নির্মাতারা শুটিং ইউনিটের সদস্যসংখ্যা কমিয়ে আনছেন। অনেক নির্মাতা প্রয়োজনের তুলনায় এক–তৃতীয়াংশ শিল্পী এবং কলাকুশলী নিয়ে কাজ শুরু করছেন। এতে নাট্যাঙ্গনে বেকারত্ব বাড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
একটি নাটকে যেখানে ৩০ জনের বেশি কলাকুশলী নিয়ে কাজ হতো, সেই সংখ্যা এখন দাঁড়িয়েছে ৯ থেকে ১০। একই অবস্থা বিজ্ঞাপনের ক্ষেত্রেও। এছাড়া করোনার পর গল্পে আসছে পরিবর্তন। নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে অল্প শিল্পী নিয়ে কীভাবে শুটিং করা যায়, সেই চেষ্টা করছেন সবাই। এতে দুই থেকে তিনজন অভিনয়শিল্পী দিয়েই নাটক তৈরির চিন্তা করছেন নির্মাতারা।
এদিকে, বেকারত্বের ঝুঁকিতে আছেন মেকআপশিল্পীরা। অনেক তারকা নিজেই বাসা থেকে মেকআপ নিয়ে আসছেন। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা মনে করছেন, করোনায় গল্প বলার ধরন বদলাতে হবে। কেবল ঘরকেন্দ্রিক গল্পের নাটক থেকে দর্শক মুখ ফিরিয়ে নিতে পারে। বেকারত্বের পাশাপাশি এ–ও এক নতুন সংকট।
পরিস্থিতি নিয়ে নাট্যকার, নির্দেশক ও অভিনেতা মামুনুর রশীদ বলেন, ‘বেকারত্ব নিয়ে আমরা মহাসংকটে পড়ে গেলাম। এখন সরকারের সহযোগিতা ছাড়া কোনো কূলকিনারা দেখতে পাচ্ছি না।’
ডিরেক্টরস গিল্ডের সভাপতি সালাহউদ্দিন লাভলু বলেন, ‘আমি নিজেও কম্প্রোমাইজ করে শুটিং করি না। শিল্পী, কলাকুশলী, নাট্যকারদের মতো নির্মাতাদেরও কিছুটা অনিশ্চয়তা দেখা দেবে।’



