
‘এ যাত্রায় বেঁচে গেলে, ভীষণ করে বাঁচবো/ সবাইকে জড়িয়ে ধরে, অনেক করে কাঁদবো/ এ যাত্রায় রেহাই যদি পাই, অন্যের কথা ভাববো/ যার যেখানে অংশ আছে, হিসাবগুলো চুকিয়ে দেবো…। যদি নাই বাঁচেন, তো কী করবেন’ ?
৮০ ও ৯০ দশকের অনেক টিভি প্রিয়মুখ স্থায়ী ঠিকানা হিসেবে বেছে নিয়েছেন বিশ্বের বিভিন্ন দেশে। যার মধ্যে অধিকাংশই রয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রে। এমন ২২ জন প্রবাসীশিল্পী এক হয়ে চলমান করোনাকালে তারা নিজ নিজ ঘরে থেকে তৈরি করলেন একটি কবিতা-ভিডিও। যে কবিতার পরতে পরতে রয়েছে করোনাকাল জয় করে বাঁচার আকুতি। বাঁচলে কে কী করবেন, সেই শপথটুকুও করেছেন তারা।
আবৃত্তিতে অংশ নেওয়া প্রবাসী শিল্পীদের মধ্যে রয়েছেন তানিয়া আহমেদ, মোনালিসা, রুমানা, জামাল উদ্দিন হোসেন, মিলা হোসেন, শামীম শাহেদ, শিরিন বকুল, শ্রাবন্তী, কাজী উৎপল, তমালিকা কর্মকার, ডলি জহুর, শামসুল আলম বকুল, প্রিয়া ডায়েস, মহসিন রেজা, হিল্লোল, আফরোজা বানু, নওশীন নাহরিন মৌ, খাইরুল ইসলাম পাখি, রওশন আরা, টনি ডায়েস ও লুৎফুন নাহার লতা।
যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী নওশীন নাহরিন মৌয়ের পরিকল্পনায় বিশেষ এই কাজটি নির্মাণ করেছেন টনি ডায়েস। যা ফেসবুকে উন্মুক্ত হয় ১৮ এপ্রিল সন্ধ্যায়। আবেগের সুতোয় বোনা কবিতাটি লিখেছেন সহস্র সুমন। শিল্পীদের আবৃত্তির পেছনে আবহসংগীত দিয়ে কাজটিতে বাড়তি মাত্রা যোগ করেছেন মারভিন অধিকারী।
কাজটি প্রসঙ্গে টনি ডায়েস বলেন, ‘আমরা সবাই মিলে বিদেশের মাটিতে নিজ নিজ ঘরে বসে কাজটি করলাম। সবাইকে এক ভিডিওতে করতে পেরে মনটা ভরে গেছে। জীবনটা খুব ছোট। কতো তাড়াতাড়ি চলে যায় মানুষ। কাজটি যখন প্যানেলে বসে এডিট করছিলাম বারবার চোখ ঝাপসা হয়ে আসছিল।
এ যাত্রায় বেঁচে গেলে সত্যিই নতুনকরে বাঁচবো আমরা।’ এছাড়া আবৃত্তি শেষে চিকিৎসক, সাংবাদিক, ব্যাংকার, ডেলিভারিম্যানসহ এমন করোনা যোদ্ধাদের প্রতি বিশেষ কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন তারা।



