Jannah Theme License is not validated, Go to the theme options page to validate the license, You need a single license for each domain name.
টলিউডবিনোদন

আইসোলেশনে রয়েছেন যেসব তারাকারা

আফ্রিকা থেকে কলকাতা বিমানবন্দরে ফিরেই স্বেচ্ছা আইসোলেশনে গেলেন প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় ও সৃজিত মুখোপাধ্যায়।

কলকাতা বিমানবন্দরে পৌঁছে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় বলেন, আমরা সবাই ভালভাবে এসে গিয়েছি। যেহেতু বাইরে থেকে আসছি তাই বাড়ি ফিরে সাতদিনের জন্য বাকি সবার থেকে নিজেকে আলাদ রাখব। সরকার যা যা বিধি নিষেধ দিয়েছে তা মেনে চলার চেষ্টা করছি।

পরিচালক সৃজিত মুখোপাধ্যায়ও এ কথাই বলেছে সংবাদমাধ্যমকে। বিদেশ থেকে এসেছি তাই নিজেকে দশদিন আইসোলেশনে রাখব। রাজ্য সরকারের নির্দেশিকা মেনেই সমস্ত নিয়ম পালন করব। অনুরোধ করব যাঁরা বাইরে থেকে আসেননি তারাও নিজেদের কোয়ারেন্টাইনে রাখুন। করোনা যুদ্ধে এটাই মারাত্মক ফেজ।

অন্যদিকে, যুক্তরাজ্য থেকে এসে হোম কোয়ারেন্টাইনে উপমহাদেশের প্রখ্যাত কণ্ঠশিল্পী রুনা লায়লা। তার মেয়ে থাকেন লন্ডনে। সম্প্রতি দেশে ফিরেছেন নন্দিত এ গায়িকা। আর দেশে এসেই হোম কোয়ারেন্টাইনে রয়েছেন তিনি।

শুক্রবার (২০ মার্চ) রাতে করোনাভাইরাস সম্পর্কে সচেতনতা তৈরি করতে ফেসবুকে একটি পোস্ট দিয়েছেন রুনা লায়লা। সেখানে লিখেছেন, ‘করোনাভাইরাসের কারণে পুরো পৃথিবী এখন একটা সংকটময় পরিস্থিতি পার করছে। আমাদের সবাইকে এই ভাইরাসের ভয়াবহতা উপলব্ধি করতে হবে। একে প্রতিরোধের সব পদক্ষেপ নিতে হবে।

যুক্তরাজ্যে দেড় মাস বেড়ানোর পর ১৬ মার্চ দুপুরে ঢাকায় আসেন রুনা লায়লা। এই মাসের ২৭ তারিখ এবং এপ্রিলে দুটি স্টেজ শো করার কথা ছিল রুনা লায়লার। কিন্তু করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে এসব শো বাতিল করেছেন তিনি।

এরআগে, শুটিং বাতিল করে দেশে ফিরে সুরক্ষার কারণেই আইসোলেশনে রয়েছেন জিৎ ও মিমি। বিমানবন্দরে নেমে সবাইকে নিরাপদে থাকার অনুরোধ করলেন অভিনেতাদ্বয়।

ব্রিটেন থেকে ফিরেই সাতদিনের জন্য আইসোলেশনে গেলেন মিমি চক্রবর্তী ও জিৎ। মঙ্গলবার কলকাতা বিমানবন্দরে পৌঁছে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তারকা সাংসদ মিমি চক্রবর্তী বলেন, যেহেতু ব্রিটেন থেকে আসছি তাই বাড়ি ফিরে সাতদিনের জন্য নিজেকে আইসোলেশনে রাখব। বাবা-মাকেও ফোন করে আমার সঙ্গে দেখা করতে আসতে বারণ করেছি। আমার বাবার বয়স ৬০ বছরের উপরে।

অভিনেতা জিৎ-ও বলেন, ওখানে কোনও কাজ করতে অসুবিধে হচ্ছিল না। কিন্তু ভারত সরকারের নির্দেশ মেনেই ফিরে আসা। সবার আগে পৃথিবী সুস্থ হোক। বাকি কাজ তো চলতেই থাকবে। সবাই নিরাপদে থাকুন।

প্রসঙ্গত, ভারতে করোনার থাবা ক্রমশ বাড়ছে। ইতিমধ্যেই দেশে করোনা সংক্রমণে ৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। করোনা মোকাবিলায় ষাটঊর্ধ্ব অতি সংকটজনকদের শরীরে এইচআইভি-র প্রতিষেধক প্রয়োগের নির্দেশ দিয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রক। ভারত সরকারের পক্ষ থেকে ১৮ মার্চের মধ্যে ইউরোপীয় ইউনিয়ন, তুরস্ক, ব্রিটেন থেকে সকল ভারতীয়দের দেশে ফেরার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট খবর

Back to top button