
বনিবনা না হওয়ার কারণে সংসারে বিচ্ছেদ চেয়েছেন ঢাকাই চলচিত্রের এক সময়ের জনপ্রিয় নায়িকা শাবনূর (শারমীন নাহিদ নূপুর)। স্বামী অনীক মাহমুদের সঙ্গে ডিভোর্স চেয়ে নোটিশ পাঠিয়েছেন, চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় এই অভিনয়শিল্পী। এর ফলে অনিককে সঙ্গে প্রায় ৭ বছরের সংসার জীবনের ইতি টানলেন শাবনূর।
গেল ২৬ জানুয়ারি মাদকাসক্ত, শারীরিক-মানসিক নির্যাতন এবং পরনারীতে আসক্তের অভিযোগ এনে স্বামী অনিক মাহমুদকে তালাক দিয়েছেন তিনি। শাবনূরের স্বাক্ষরিত সেই তালাক নোটিশের অনুলিপি থেকে এ তথ্য জানা যায়। অ্যাডভোকেট (তালাকের নোটিশ এবং হলফনামা প্রস্তুতকারী) কাওসার আহমেদের মাধ্যমে এই তালাক নোটিশ পাঠানো হয়।
এদিকে, বিষয়টি সম্পর্কে জানতে চাইলে বুধবার অনীক মাহমুদ বলেন, ‘তিনি কোনো ধরনের নোটিশ হাতে পাননি। উল্টো জানতে চেয়েছেন কে বা কারা এই ধরনের খবর ছড়িয়েছে। অনীকের দাবি, আজ সকালেই শাবনূরের সঙ্গে তাঁর কথা হয়েছে। এ ব্যাপারে তিনি কিছুই জানেন না।
তবে, তালাকের নোটিশ এবং হলফনামা প্রস্তুতকারী অ্যাডভোকেট কাওসার আহমেদ গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করে জানিয়েছেন, চলতি বছরের ২৬ জানুয়ারি অনিকে তালাক দিয়েছেন শাবনূর। সেই নোটিশ গেল ৪ ফেব্রুয়ারি অনিকের উত্তরা এবং গাজীপুরের বাসা পাঠানো হয়েছে। এর ফলে আইনগত ভাবে তাঁদের তালাক কার্যকর হবে ৯০ দিন পর।
তালাক নোটিশে শাবনূর জানিয়েছেন, আমার স্বামী অনিক মাহমুদ হৃদয় সন্তান এবং আমার যথাযথ যত্ন ও রক্ষণাবেক্ষণ করেন না। সে মাদকাসক্ত। অনেকবার মধ্যরাতে মদ্যপ অবস্থায় বাসায় এসে আমার ওপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালিয়েছে। আমাদের ছেলের জন্মের পর থেকে সে আমার কাছ থেকে দূরে সরে যেতে শুরু করে এবং অন্য একটি মেয়ের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে আলাদা বসবাস করছে।
২০১২ সালের ২৮ ডিসেম্বর অনিক মাহমুদকে বিয়ে করেন শাবনূর। এরপর ২০১৩ সালের ২৯ ডিসেম্বর তাদের ঘরে পুত্রসন্তানের জন্ম হয়।



