
মুক্তির দুই সপ্তাহেরও কম সময়ে এমন বিপুল সাফল্য অর্জন করে ‘সাইয়ারা’ ২০২৫ সালের সবচেয়ে সফল রোমান্টিক সিনেমাতে পরিণত হয়েছে। প্রচারণা নেই, সাক্ষাৎকার নেই— তবুও সিনেমাটি ব্লকবাস্টার!
ভারতীয় জনপ্রিয় গণমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়, সিনেমাটির শুটিং, মুক্তির তারিখ কিংবা অভিনেতা-অভিনেত্রীদের কোনো তথ্যই আগে থেকে প্রকাশ করা হয়নি। সিনেমার প্রচারণায় ছিল না কোনো টেলিভিশন সাক্ষাৎকার, লাইভ বা সোশ্যাল মিডিয়া হাইপ তৈরির প্রচেষ্টা। সব কিছুই যেন ছিল নিঃশব্দে—তবুও ফলাফল, একেবারে বিস্ফোরক।
এমনকি, বড় বড় তারকাদের ব্লকবাস্টার সিনেমার রেকর্ডও ইতোমধ্যে ভেঙে দিয়েছে ‘সাইয়ারা’। অনেক দর্শক সিনেমা দেখতে গিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়ছেন, কেউ কেউ জ্ঞান হারাচ্ছেন বলেও সামাজিক মাধ্যমে ভিডিও ও পোস্ট ঘুরছে।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে তিনি লিখেছেন, সাইয়ারা মুভি দেখতে বসছি। শুনলাম পুরো উপমহাদেশ নাকি এই মুভি দেখে কাঁদতে কাঁদতে পদ্মা-মেঘনা-যমুনা বানায় ফেলছে। এ কান্না কেবল লবণ ও জলের মিশ্রণ না। পিওর কান্না। যাই হোক, কান্নার তাত্ত্বিক বিশ্লেষণে এ মুহূর্তে না যাই।
তিনি আরও লিখেন, কেউ কি দয়া করে বলবেন, সাইয়ারা মুভির ঠিক কোন কোন জায়গায় আমাকে কাঁদতে হবে?
তার এই পোস্টে অনেকেই হেসে-খেলে মন্তব্য করছেন—আবার কেউ কেউ লিখেছেন, “দেখতে থাকুন, কান্না আপনাআপনি আসবে!”
এক দিকে যখন বলিউডের অন্য সিনেমাগুলো কোটি কোটি টাকার প্রচারণা বাজেট নিয়েও মুখ থুবড়ে পড়ছে, তখন ‘সাইয়ারা’ যেন হয়ে উঠেছে নীরব বিপ্লবের নাম।
উল্লেখ্য, সিনেমাটি যে জনপ্রিয়তার শীর্ষে, তাতে কোনো সন্দেহ নেই। তবে এই কান্নার রহস্য ভেদ করতে হলে দর্শকদের মতো প্রিন্স মাহমুদকেও পুরো সিনেমা শেষ করতেই হবে!



