Jannah Theme License is not validated, Go to the theme options page to validate the license, You need a single license for each domain name.
টলিউডবিনোদন

কিংবদন্তী সঞ্জীব চৌধুরীর একাদশ মৃত্যুবার্ষিকী

Sanjib Chowdhury Death

অনবদ্য অনেক গান জনপ্রিয় হয়েছে তার কণ্ঠে। তারুণ্যের সুরে-চেতনায়, বিপ্লবে-অনুপ্রেরণায় তিনি যেন হ্যামিলনের বাঁশিওয়ালা। তিনি অন্য কেউ নন, কিংবদন্তী  সঙ্গীতশিল্পী ও সাংবাদিক সঞ্জীব চৌধুরী।

ক্ষণজন্মা এই গানের জাদুকর তার সৃজনশীলতায় অমর হয়ে আছেন অগণিত শ্রোতা-ভক্ত ও অনুরাগীর কাছে। বহুমুখী প্রতিভার

অধিকারী এই সঙ্গীতশিল্পীর আজ একাদশ মৃত্যুবার্ষিকী। সঞ্জীব চৌধুরী জন্ম ১৯৬৪ সালে ২৫ ডিসেম্বর হবিগঞ্জ জেলার বানিয়াচং

উপজেলার মাকালকান্দি গ্রামে।  ঢাকার নবকুমার ইন্সটিটিউট থেকে ১৯৭৮ সালে মাধ্যমিক পরীক্ষায় মেধা তালিকায় ১২তম স্থান

অর্জন করেন তিনি।   ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায়  স্নাতকোত্তর শেষ করে, আশির দশকে সাংবাদিকতা শুরু করেন সঞ্জীব

চৌধুরী।  সুনামের সঙ্গে কাজ করেছেন বিভিন্ন দৈনিক ও সাপ্তাহিক পত্রিকায়।  মূলত: তার হাত ধরেই দৈনিক পত্রিকায় নিয়মিতভাবে ফিচার

বিভাগ চালু হয়।  তার কাছে হাতেখড়ি নেওয়া অনেক গুণী সাংবাদিক ছড়িয়ে আছেন দেশের বিভিন্ন গণমাধ্যমে। সাংবাদিকতার পাশাপাশি

‘শঙ্খচিল’ নামের একটি দলে সংগীতচর্চাও করতেন সঞ্জীব চৌধুরী।  এরপর ১৯৯৬ সালে বাপ্পা মজুমদারের সঙ্গে গড়ে তোলেন ব্যান্ড

‘দলছুট’।  দলছুট থেকে ১৯৯৭ সালে প্রথম অ্যালবাম ‘আহ্‌’ প্রকাশ হওয়ার পরই বেশ সাড়া পড়ে যায়।  এরপর একে একে বের হয়

হৃদয়পুর,আকাশচুরি এবং জোছনা বিহার অ্যালবাম। তার একক অ্যালবাম স্বপ্নবাজী। সঞ্জীব চৌধুরীর গাওয়া অসংখ্য গান আজও সমান

জনপ্রিয়। শিল্পী হিসেবে সঞ্জীব যতোটা জনপ্রিয় ছিলেন, তারচে বেশি ছিলেন গীতিকার ও সুরকার হিসেবে। প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে অনেক

গীতিকারই তার দ্বারা প্রভাবিত। গানের পাশাপাশি,  কবিতাও লিখতেন তিনি। শুধু কবিতা নয়, লিখেছেন বেশকিছু ছোটগল্প ও নাটকের

স্ক্রিপ্টও। তার অভিনীত একমাত্র নাটক সুখের লাগিয়া। এমন অনবদ্য অনেক কথা ও গানের জন্ম হয়েছে ক্ষণজন্মা সংগীতশিল্পী সঞ্জীব

চৌধুরীর হাত ধরে। সমাজ সচেতন সঞ্জীব চৌধুরী সেই বিরল শিল্পী, যিনি যেকোনো সাহসী উচ্চারণেও ভয় পেতেন না। মস্তিষ্কে

রক্তক্ষরণজনিত কারণে ২০০৭ সালের ১৯ নভেম্বর মাত্র তেতাল্লিশ বছর বয়সে তার মৃত্যু হয়।  তবে সঞ্জীব চৌধুরীর মতো কীর্তিমানের

কখনো মৃত্যু হয় না, বেঁচে থাকেন মানুষের হৃদয়ে, চেতনায়- প্রেরণায়।

বাংলাটিভি/এসএম/এবি||আসাদ রিয়েল||

সংশ্লিষ্ট খবর

Back to top button