
বাংলাদেশ চলচ্চিত্র প্রযোজক পরিবেশক সমিতির বয়কটের পর বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির প্রধান মিশা সওদাগর ও জায়েদ খানের পদত্যাগ দাবিতে রোববার (১৯ জুলাই) মানববন্ধন করেন সমিতির সদস্যপদ হারানো শিল্পীরা। অন্যদিকে বয়কটের প্রতিবাদে সন্ধ্যায় ছিল শিল্পী সমিতির সংবাদ সম্মেলন।
বিএফডিসির জহির রায়হান কালার স্টুডিওতে সংবাদ সম্মেলন শুরু হওয়ার পর থেকে ঐক্যের সুরে কথা বলেন সংগঠনটির নেতাসহ এর সদস্যরা। কিন্তু এটাও জানান, সাত দিনের মধ্যে বয়কট প্রত্যাহার করা না হলে কর্মবিরতিতে যাবে শিল্পী সমিতি। বিষয়টি তুলে ধরেন সমিতির সভাপতি মিশা সওদাগর।
তিনি বলেন, ‘আমরা ভয় পাই, আমাদের ভয় দেখাবেন না; ভয় ভেঙে গেলে আমরা সামনে থেকে কথা বলতে একবিন্দু ছাড় দেবো না। তাই আপনাদের সম্মান ধরে রাখতে আমাদের আর ভয় দেখাবেন না। সিনেমায় অভিনয় করি পাজির, আর বাস্তবে আমি কিন্তু হাজি। তাই সিনেমার হুঙ্কার দিতে চাই না, আমি চাই শান্তি। শান্তির জন্যই এই সমস্যা সমাধানের অনুরোধ করা হলো। তা না হলে আগামী এক সপ্তাহ পর শিল্পীরা কর্মবিরতিতে যাবো।’
নায়ক রুবেলের সঞ্চালনায় প্রথমেই বক্তব্য দেন অভিনেতা ও শিল্পী সমিতির প্রচার সম্পাদক জ্যাকি আলমগীর। চলচ্চিত্র সমিতি নির্বাচনের সাবেক নির্বাচন কমিশনার ও চিত্রনায়ক ইলিয়াস কাঞ্চন তার বক্তব্যের শুরুতে বর্তমান শিল্পী সমিতির করোনাকালীন বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের প্রশংসা করেন।
আর মিশা আরও বলেন, ‘আশা করছি আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে সব সমস্যার সমাধান হবে। করোনার এই খারাপ সময়ে এগুলোর দরকার ছিল না। চাইলে আমরা আলোচনার মাধ্যমেই সমাধান করতে পারতাম। আশা করি সেভাবেই এর সমাধান হবে।’
৩ ঘণ্টা চলা এই সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন বয়কট হওয়া শিল্পী ও শিল্পী সমিতির সভাপতি মিশা সওদাগর এবং সাধারণ সম্পাদক জায়েদ খান।
এর আগে, ‘স্বার্থবিরোধী কর্মকাণ্ডের’ দায়ে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির প্রধান দুই ব্যক্তি মিশা সওদাগর ও জায়েদ খানকে ‘অবাঞ্ছিত’ বা ‘বয়কট’ করেছে চলচ্চিত্রের ১৮টি সংগঠন।



