Jannah Theme License is not validated, Go to the theme options page to validate the license, You need a single license for each domain name.
গ্রাম বাংলাদেশবাংলাশিক্ষা

চট্টগ্রাম বোর্ডের আজকের এইচএসসি ও সমমানের সব পরীক্ষা স্থগিত

বাংলা টিভি ডেস্ক: বৈরী আবহাওয়া ও বন্যা পরিস্থিতির কারণে চট্টগ্রাম মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের অধীন সব জেলার আজকের (বুধবার) এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (৭ জুলাই) গভীর রাতে আন্তশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামানের সই করা এক জরুরি আদেশে এই তথ্য জানানো হয়।

এর আগে মঙ্গলবার রাতেই পৃথক দুটি আদেশে প্রথমে চট্টগ্রাম ও রাঙামাটি এবং পরবর্তীতে কক্সবাজার জেলার বুধবারের পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছিল। তবে পরিস্থিতির দ্রুত অবনতি হওয়ায় শেষ রাতে পুরো বোর্ডের পরীক্ষাই স্থগিতের সিদ্ধান্ত আসে। চট্টগ্রাম বোর্ড ছাড়া অন্য সব শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা যথাসময়ে অনুষ্ঠিত হবে। স্থগিত হওয়া পরীক্ষার নতুন সময়সূচি পরে জানানো হবে।

উল্লেখ্য, এবার সাধারণ শিক্ষা বোর্ডগুলোর অধীনে অভিন্ন প্রশ্নপত্রে এইচএসসি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

এদিকে একটানা দুই দিনের অতি ভারী বর্ষণে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও পার্বত্য চট্টগ্রামের বিস্তীর্ণ এলাকা তলিয়ে গেছে। চট্টগ্রাম নগরীতে সোমবার (৬ জুলাই) বিকেল ৩টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় বন্দরনগরী দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ও ৪২ বছরের মধ্যে সবচেয়ে বেশি বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। এর আগে ১৯৮৩ সালের ৪ আগস্ট ২৪ ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৫১১ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছিল।

ভারী বর্ষণে দেয়াল ও পাহাড়ধসের ঘটনায় চট্টগ্রাম নগর, রাঙ্গুনিয়া উপজেলা, রাঙামাটির বাঘাইছড়ি এবং কক্সবাজারে মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। পাহাড়ি ঢলে খাগড়াছড়ি-রাঙামাটি সড়কের মাইসছড়ি এলাকা তলিয়ে যাওয়ায় দুই জেলার সড়ক যোগাযোগ সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।

বৈরী আবহাওয়ার কারণে চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তিনটি আন্তর্জাতিক বা অভ্যন্তরীণ ফ্লাইট অবতরণ করতে পারেনি। অন্যদিকে রেললাইনের ওপর পানি জমে থাকায় প্রায় এক হাজার যাত্রী নিয়ে চট্টগ্রাম নগরের ষোলোশহর স্টেশনে আটকে পড়ে কক্সবাজারগামী ‘পর্যটক এক্সপ্রেস’ ট্রেনটি।

চলতি দুর্যোগে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে কক্সবাজার জেলা। গত দুই দিনের বৃষ্টিতে জেলার উখিয়ার রোহিঙ্গা শিবিরগুলোর বিভিন্ন স্থানে ছোট-বড় ১৯৩টি পাহাড়ধসের ঘটনা ঘটেছে। এ ছাড়া কক্সবাজার সদর উপজেলা, টেকনাফ, রামু, মহেশখালী, চকরিয়া ও পেকুয়ার বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়ে শতাধিক গ্রাম পানিতে তলিয়ে গেছে। যানবাহন চলাচল বন্ধ থাকায় পানিবন্দী মানুষ ও পরীক্ষার্থীরা চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন।

সংশ্লিষ্ট খবর

Back to top button