Jannah Theme License is not validated, Go to the theme options page to validate the license, You need a single license for each domain name.
খেলাধুলাফুটবল

হাইতিকে উড়িয়ে গ্রুপের শীর্ষে ব্রাজিল

বাংলা টিভি ডেস্ক: প্রথমার্ধে শক্তিশালী পারফরম্যান্সের পর দ্বিতীয়ার্ধেও একের পর এক সুযোগ তৈরি করল ব্রাজিল। বদলি নেমে এন্দরিক বল জালেও পাঠালেন, কিন্তু অফসাইডে বাতিল হলো সেই গোল। গ্যাব্রিয়েল মার্টিনেল্লি ও ডগলাস সান্তোসের শট অল্পের জন্য হলো লক্ষ্যভ্রষ্ট। শেষদিকে এসে হাইতি একের পর এক আক্রমণ চালালেও অ্যালিসনকে তেমন কোনো চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলতে পারল না। হাইতির বিপক্ষে সহজ জয়ে গ্রুপের পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে উঠল ব্রাজিল।

শনিবার (২০ জুন) ফিলাডেলফিয়া স্টেডিয়ামে গ্রুপ পর্বের ম্যাচে হাইতিকে ৩-০ গোলে হারিয়েছে ব্রাজিল। ম্যাচের তিনটি গোলই হয়েছে প্রথমার্ধে।

প্রথমার্ধে মাতেউস কুনিয়া জোড়া গোল এবং ভিনিসিউস জুনিয়র বাকি গোলটি করেন। দ্বিতীয়ার্ধে কোনো দলই আর গোল করতে না পারায় জয়ের ব্যবধানে পরিবর্তন আসেনি।

দুই অর্ধে দুটি গোল অফসাইডে বাতিল না হলে ব্রাজিলের জয়ের ব্যবধান আরও বাড়তে পারতো।

গত ম্যাচের একাদশ থেকে দুটি পরিবর্তন এনে এদিন মাঠে নামে ব্রাজিল। ইবানেজের বদলে দানিলো এবং ইগর থিয়াগোর বদলে মাতেউস কুনিয়াকে একাদশে নেয়া হয়। জোড়া গোল করে আস্থার প্রতিদান দিয়েছেন কুনিয়া।

জয়ের খোঁজে নামা ব্রাজিল ১২ মিনিটের মাথায় জালে বল পাঠিয়েছিল। কিন্তু রাফিনিয়ার সেই গোল অফসাইডের কারণে বাতিল করেন রেফারি।

২২ মিনিটে আবারও সুযোগ পেয়েছিল ব্রাজিল। ডান দিক থেকে থ্রু পাস পেয়ে হাইতির গোলরক্ষককে একা পেয়েও অবিশ্বাস্যভাবে মিস করেন রাফিনিয়া। চিপ করলেও ফাঁকা জালে বল পাঠাতে পারেননি বার্সেলোনার এই ফরোয়ার্ড।

পরের মিনিটেই অবশ্য গোলের দেখা পায় ব্রাজিল। থিয়াগোর জায়গায় দলে ঢোকা মাতেউস কুনিয়া লিড এনে দেন। ডান প্রান্ত থেকে শট নিয়েছিলেন ভিনিসিউস। হাইতির গোলকিপার জন প্লেসিড শট ঠেকিয়ে দিলেও জটলার মধ্যে বল পেয়ে জালে পাঠান কুনিয়া।

৩৬ মিনিটে আবারও কুনিয়ার গোলে ব্যবধান দ্বিগুণ করে ব্রাজিল। দারুণ এক মুভে আক্রমণের শুরুটা করেন ভিনিসিউস। দৌড়ে বল নিয়ে এগিয়ে বাঁয়ে কুনিয়াকে ডিফেন্সচেরা পাস বাড়ান ভিনি। সেখান থেকে বাঁ পায়ের নিখুঁত শটে বল জালে পাঠান ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের এই ফরোয়ার্ড।

এই গোলের মাধ্যমে বিশ্বকাপের ইতিহাসে সর্বোচ্চ গোলের রেকর্ড পুনরুদ্ধার করে ব্রাজিল। এটি বিশ্বকাপে ব্রাজিলের ২৪০তম গোল। কুরাসাওয়ের বিপক্ষে জার্মানিত ৭-১ গোলে জয়ের দিনে জার্মানির কাছে রেকর্ডটি হারিয়েছিল ব্রাজিল। মাত্র এক ম্যাচ পরেই তা পুনরুদ্ধার করল ক্যানারিনহারা।

দ্বিতীয় গোলের পরই ধাক্কা খায় ব্রাজিল। চোটের কারণে মাঠের বাইরে চলে যান রাফিনিয়া। বার্সেলোনা ফরোয়ার্ডের বদলি হিসেবে নামেন রায়ান।

প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ের তৃতীয় মিনিটে গোল করেন ভিনিসিউস। হাইতির গোলরক্ষক জন প্লাসিডকে একা পেয়ে তার দুই পায়ের ফাঁক দিয়ে বল জালে পাঠান রিয়াল মাদ্রিদের এই উইঙ্গার। এরে আগে মরক্কোর বিপক্ষে একমাত্র গোলটিও তার একক প্রচেষ্টায় এসেছিল।

দ্বিতীয়ার্ধে আধিপত্য ধরে রেখে খেলতে থাকে ব্রাজিল। ৬৪ মিনিটে কুনিয়া ও লুকাস পাকেটাকে তুলে এন্দরিক ও গ্যাব্রিয়েল মার্টিনেল্লিকে নামান আনচেলত্তি।

৭৮ মিনিটে ব্রাজিলিয়ানদের উল্লাসে ভাসিয়েছিলেন এন্দরিক। বল পাঠিয়েছিলেন জালে। কিন্তু অফসাইডের কার্বনে সে গোল বাতিল হয়। অন্যদিকে মার্টিনেল্লির শট অল্পের জন্য লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়।

এই জয়ে ৪ পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপের শীর্ষে উঠেছে ব্রাজিল। সমান ৪ পয়েন্ট মরক্কোরও। কিন্তু গোল ব্যবধানে এগিয়ে থাকায় শীর্ষে ব্রাজিল।

সংশ্লিষ্ট খবর

Back to top button