Jannah Theme License is not validated, Go to the theme options page to validate the license, You need a single license for each domain name.
বাংলাদেশঅপরাধ

পরীমণি-কাণ্ডে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো হচ্ছে এডিসি সাকলায়েনকে

বাংলা টিভি ডেস্ক: ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) সাবেক অতিরিক্ত উপকমিশনার এবং বর্তমানে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার পদে কর্মরত মো. গোলাম সাকলায়েনের বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্তে অসদাচরণের অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় তাকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, এ বিষয়ে প্রস্তুত করা সারসংক্ষেপে ইতোমধ্যে স্বাক্ষর করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। পরবর্তী ধাপে এটি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় হয়ে রাষ্ট্রপতির অনুমোদনের জন্য পাঠানো হবে। রাষ্ট্রপতির সম্মতি পাওয়ার পর আনুষ্ঠানিক প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে।

ঘটনার সূত্রপাত ২০২১ সালে। সে সময় ব্যবসায়ী নাসির উদ্দিন মাহমুদের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া একটি মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ছিলেন গোলাম সাকলায়েন। মামলার তদন্ত চলাকালে চিত্রনায়িকা পরীমণি-র সঙ্গে তার ব্যক্তিগত সম্পর্ক নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। সিসিটিভি ফুটেজে পরীমণির সাকলায়েনের সরকারি বাসভবনে যাতায়াতের বিষয়টিও আলোচনায় আসে।

পরবর্তীতে এ অভিযোগের প্রেক্ষিতে তাকে ডিবি থেকে প্রত্যাহার করা হয় এবং বিষয়টি তদন্তে একটি কমিটি গঠন করা হয়। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়ার পর তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া শুরু হয়।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নথি অনুযায়ী, তদন্তে পাওয়া বিভিন্ন তথ্য, কল রেকর্ড, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কথোপকথন এবং অন্যান্য উপাত্ত বিশ্লেষণ করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এই সিদ্ধান্তে উপনীত হয় যে, তাদের সম্পর্ক পেশাগত সীমার বাইরে গিয়ে ব্যক্তিগত ও অনৈতিক পর্যায়ে পৌঁছেছিল। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, একজন দায়িত্বশীল পুলিশ কর্মকর্তা হিসেবে তার আচরণ সরকারি চাকরির শৃঙ্খলা ও নৈতিক মানদণ্ডের পরিপন্থী ছিল।

বিভাগীয় তদন্ত শেষে সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮-এর আওতায় তার বিরুদ্ধে ‘অসদাচরণ’-এর অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়। অভিযোগের বিষয়ে আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ দেওয়া হলেও কর্তৃপক্ষ তার ব্যাখ্যায় সন্তুষ্ট হয়নি। এর পরিপ্রেক্ষিতে চাকরি থেকে ‘বাধ্যতামূলক অবসর’ দেওয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে।

তবে এ বিষয়ে গোলাম সাকলায়েন কিংবা পরীমণির কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তারা সাড়া দেননি বলে জানা গেছে।

উল্লেখ্য, এটি একটি প্রশাসনিক ও বিভাগীয় সিদ্ধান্তের বিষয়। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগ এবং তদন্তের ফলাফল সরকারি নথির ভিত্তিতে বিবেচনা করা হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট খবর

Back to top button