Jannah Theme License is not validated, Go to the theme options page to validate the license, You need a single license for each domain name.
বাংলাদেশঅপরাধ

বেদেপল্লির কুঁড়েঘরে এসি-সিসি ক্যামেরা, এক নারীর রাজকীয় আস্তানা

বাংলা টিভি ডেস্ক: নোয়াখালীর চাটখিল পৌরসভার ভীমপুর গ্রামের বেদেপল্লিতে সরকারি খাসজমিতে গড়ে ওঠা একটি কুঁড়েঘরকে কেন্দ্র করে নানা অভিযোগ উঠেছে। বাইরে থেকে সাধারণ ঝুপড়ি ঘরের মতো দেখালেও ভেতরে রয়েছে আধুনিক সুযোগ-সুবিধা, যা স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, ববিতা আক্তার সুমাইয়া নামে এক নারী দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় মাদক ব্যবসা পরিচালনা করছেন। তার আস্তানায় এয়ারকুলার, সিসিটিভি ক্যামেরাসহ বিভিন্ন আধুনিক সরঞ্জাম স্থাপন করা হয়েছে বলে দাবি করা হয়।

অভিযোগ রয়েছে, বিভিন্ন সময় রাজনৈতিক প্রভাব ও স্থানীয় প্রভাবশালী মহলের সহযোগিতায় তিনি তার কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছেন। এর আগে একাধিকবার মাদকসহ গ্রেপ্তার হলেও জামিনে মুক্ত হয়ে আবারও একই কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়েছেন বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।

স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দার দাবি, ওই এলাকায় মাদকের পাশাপাশি অনৈতিক কর্মকাণ্ডও পরিচালিত হয়। তাদের মতে, আশপাশের বিভিন্ন উপজেলা ও জেলা থেকেও লোকজন সেখানে যাতায়াত করে।

সরেজমিনে স্থানীয়রা জানান, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর গতিবিধি পর্যবেক্ষণের জন্য আস্তানার চারপাশে সিসিটিভি ক্যামেরা বসানো হয়েছে। এতে করে অভিযান পরিচালনা করাও কঠিন হয়ে পড়ে বলে অভিযোগ রয়েছে।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, মাদক ব্যবসার কারণে স্থানীয় কিশোর ও যুবসমাজ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। তারা অবৈধ কার্যক্রম বন্ধ এবং সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

চাটখিল পৌর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক বি কে হানিফ বলেন, একজন কথিত মাদককারবারীর বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণে নানা প্রতিবন্ধকতা রয়েছে। তার ক্ষমতার উৎস এবং পেছনের সহযোগীদেরও চিহ্নিত করা প্রয়োজন বলে তিনি মন্তব্য করেন।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ববিতা আক্তার সুমাইয়ার বিরুদ্ধে থানায় সাতটি মাদক মামলা রয়েছে। বিভিন্ন সময়ে তাকে একাধিকবার গ্রেপ্তার করা হলেও তিনি জামিনে মুক্ত হয়ে পুনরায় একই কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

অভিযোগের বিষয়ে ববিতা আক্তার সুমাইয়ার বক্তব্য নেওয়ার চেষ্টা করা হলেও তার সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।

চাটখিল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আব্দুল মোন্নাফ বলেন, অভিযুক্ত নারী একজন পরিচিত মাদককারবারী এবং তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে। সম্প্রতি তার বিরুদ্ধে নতুন করে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। বিলাসবহুল জীবনযাপন ও অন্যান্য অভিযোগের বিষয়েও তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানান তিনি।

সংশ্লিষ্ট খবর

Back to top button