
গাইবান্ধা প্রতিনিধি: গাইবান্ধায় পারিবারিকভাবে বিয়ে ঠিক হওয়ার পর এক তরুণীকে একাধিকবার ধর্ষণের অভিযোগে দায়ের করা মামলার প্রধান আসামি উজ্জল মিয়াকে (২৫) গ্রেপ্তার করেছে।
শুক্রবার (১২ জুন) সন্ধ্যার দিকে গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন র্যাব-১৩-এর সিনিয়র সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বিপ্লব কুমার গোস্বামী।
এর আগে গতকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার দিকে সদর উপজেলার গোবিন্দপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃত উজ্জল মিয়া গাইবান্ধা সদর উপজেলার বেড়াডাঙ্গা কুঠি এলাকার মৃত শাহিন মিয়ার ছেলে।
র্যাব-১৩ গাইবান্ধা ক্যাম্পের পক্ষ থেকে বলা হয়, গাইবান্ধা সদর উপজেলার এক তরুণীর সঙ্গে উজ্জল মিয়ার পারিবারিকভাবে বিয়ে ঠিক হয়। অভিযোগ রয়েছে, বিয়ের আশ্বাস ও বিভিন্ন প্রলোভন দেখিয়ে উজ্জল তরুণীকে বিভিন্ন স্থানে নিয়ে গিয়ে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে একাধিকবার ধর্ষণ করে।
মামলার এজাহার অনুযায়ী জানা যায়, সর্বশেষ গত ২৭ মে সকালে কৌশলে তরুণীকে নিজের বাড়িতে নিয়ে গিয়ে পুনরায় জোরপূর্বক ধর্ষণ করে উজ্জল। পরে ভুক্তভোগী বিয়ের দাবি জানালে আসামি তা এড়িয়ে আত্মগোপনে চলে যায়।
এ ঘটনায় গত ৭ জুন ভুক্তভোগীর মা বাদী হয়ে গাইবান্ধা সদর থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের সংশ্লিষ্ট ধারায় একটি মামলা দায়ের করেন। উক্ত মামলার পর র্যাব-১৩, সিপিসি-৩ গাইবান্ধার একটি আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গতকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় সদর উপজেলার গোবিন্দপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে মামলার প্রধান আসামি উজ্জল মিয়াকে গ্রেফতার করে।
এ বিষয়ে র্যাব-১৩-এর সিনিয়র সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বিপ্লব কুমার গোস্বামী বাংলা টিভিকে জানান, গ্রেপ্তারকৃত আসামিকে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য গাইবান্ধা সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
এ ছাড়াও নারী ও শিশু নির্যাতনসহ সকল ধরনের অপরাধ দমনে র্যাবের অভিযান অব্যাহত থাকবে।



