Jannah Theme License is not validated, Go to the theme options page to validate the license, You need a single license for each domain name.
বাংলাদেশজনদুর্ভোগ

৪৫ লাখ টাকার রাস্তা, ঢালাইয়ের ৭ দিনেই উঠে যাচ্ছে কার্পেটিং

বাংলা টিভি ডেস্ক: নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলার মাগুড়া ইউনিয়নে একটি গ্রামীণ সড়কের কার্পেটিং কাজ নিয়ে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ও ত্রুটিপূর্ণ কাজের কারণে ঢালাই দেওয়ার মাত্র সাত দিনের মধ্যেই সড়কের কার্পেটিং উঠে যেতে শুরু করেছে।

বৃহস্পতিবার সকালে মাগুড়া ইউনিয়নের দর্জিপাড়া এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, সামান্য ঘর্ষণেই রাস্তার পিচের স্তর উঠে যাচ্ছে। বিভিন্ন স্থানে ফাটল ও সড়কের কিনারা ভেঙে পড়ার চিহ্নও চোখে পড়ে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় প্রায় ৪৫ লাখ টাকা ব্যয়ে চেকপোস্ট থেকে দর্জিপাড়া পর্যন্ত প্রায় দেড় কিলোমিটার সড়ক নির্মাণের উদ্যোগ নেয় স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর। দরপত্রের মাধ্যমে কাজটি পায় সুমন ট্রেডার্স নামে একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, নির্মাণকাজে প্রয়োজনীয় মানদণ্ড অনুসরণ করা হয়নি। মাটি সমান না করে, যথাযথভাবে ইটখোয়া, বালু ও পাথর বিছানো ছাড়াই সরাসরি কার্পেটিং করা হয়েছে। এছাড়া বিটুমিনও প্রয়োজনের তুলনায় কম ব্যবহার করা হয়েছে বলে দাবি তাদের।

স্থানীয় বাসিন্দা মজনু মিয়া বলেন, কাজ শেষ হওয়ার কয়েক দিনের মধ্যেই রাস্তার অবস্থা খারাপ হয়ে পড়েছে। তিনি অভিযোগ করেন, নির্মাণকাজের সময় এলাকাবাসী বারবার সতর্ক করলেও ঠিকাদার তা গুরুত্ব দেননি।

আরেক বাসিন্দা হাসান আলীর ভাষ্য, নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহারের কারণেই সড়কটি টেকসই হয়নি। তিনি দ্রুত তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।

এ বিষয়ে আখতারুজ্জামান মিঠু বলেন, সরকারি ছুটির দিনে কাজ হওয়ায় তদারকির দায়িত্বে কোনো কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন না। স্থানীয়দের অভিযোগ তিনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছেন বলেও জানান।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন সুমন ট্রেডার্সের ঠিকাদার মসদুল হক। তার দাবি, নির্মাণকাজে কোনো ধরনের অনিয়ম বা নিম্নমানের উপকরণ ব্যবহার করা হয়নি।

অন্যদিকে মো. মাহমুদুল হাসান বলেন, বিষয়টি তাদের নজরে এসেছে। দ্রুত ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

সংশ্লিষ্ট খবর

Back to top button