Jannah Theme License is not validated, Go to the theme options page to validate the license, You need a single license for each domain name.
বাংলাদেশ

প্রাথমিকে যুক্ত হচ্ছে সংগীত, নাট্যকলা, নৃত্যকলা, চারু ও কারুকলা

বাংলা টিভি ডেস্ক: প্রাথমিক শিক্ষায় সৃজনশীলতা ও সাংস্কৃতিক চর্চা বাড়াতে নতুন উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এর অংশ হিসেবে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাঠ্যক্রমে সংগীত, নাট্যকলা, নৃত্যকলা এবং চারু ও কারুকলা বিষয় অন্তর্ভুক্ত করার পরিকল্পনা ঘোষণা করা হয়েছে।

বুধবার প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত এক মতবিনিময় সভায় এ তথ্য জানান প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ। তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের সামগ্রিক বিকাশ নিশ্চিত করতে শিল্প, সংস্কৃতি ও ক্রীড়াভিত্তিক শিক্ষার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, ২০২৭ সাল থেকে চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য ‘শিল্প ও সংস্কৃতি’ নামে একটি নতুন পাঠ্যবই চালু করা হবে। বইটিতে চারু ও কারুকলা, সংগীত, নৃত্যকলা এবং নাট্যকলার জন্য পৃথক অধ্যায় থাকবে। পরবর্তীতে ২০২৮ সালে নতুন কারিকুলামের আওতায় বিষয়গুলোকে প্রাথমিক শিক্ষার পূর্ণাঙ্গ অংশ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে।

সরকারের মতে, এই উদ্যোগ শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতা বিকাশের পাশাপাশি তাদের আত্মবিশ্বাস, যোগাযোগ দক্ষতা এবং সাংস্কৃতিক চেতনা বৃদ্ধিতে সহায়ক হবে। একই সঙ্গে ভবিষ্যৎ কর্মজীবনের জন্য প্রয়োজনীয় নানা দক্ষতা অর্জনের সুযোগও তৈরি করবে।

প্রতিমন্ত্রী আরও জানান, নতুন বিষয়গুলো কার্যকরভাবে পাঠদানের জন্য বিপুলসংখ্যক প্রশিক্ষিত শিক্ষক ও প্রশিক্ষকের প্রয়োজন হবে। আগামী পাঁচ বছরে এ খাতে প্রায় ৫০ থেকে ৬০ হাজার নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি হতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে। বিশেষ করে সংগীত, নৃত্য, নাটক ও চারুকলা বিষয়ে উচ্চশিক্ষা গ্রহণকারী তরুণদের জন্য এটি নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করবে।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সঙ্গে আলোচনা চলছে বলেও জানান তিনি। সংশ্লিষ্ট বিষয়ে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীদের প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করার উপযোগী করে গড়ে তুলতে পাঠ্যক্রমে শিক্ষকতা-সংক্রান্ত প্রশিক্ষণ অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়টিও বিবেচনায় রয়েছে।

সংশ্লিষ্টদের মতে, এই পদক্ষেপ বাস্তবায়িত হলে দেশের প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থায় সৃজনশীল ও সংস্কৃতিনির্ভর শিক্ষার নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে।

সংশ্লিষ্ট খবর

Back to top button