কুড়িগ্রামে শ্বশুরবাড়িতে জামাইকে পিটিয়ে হত্যা

বাংলা টিভি ডেস্ক: কুড়িগ্রামের ভুরুঙ্গামারীতে শ্বশুরবাড়িতে জামাইকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় প্রধান দুই আসামিকে গাজীপুর থেকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)-১৩।
বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) রাতে র্যাব-১৩, রংপুরের পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, নিহত মো. আক্তারুজ্জামান রুবেল (২৫) ভুরুঙ্গামারী উপজেলার বাসিন্দা এবং বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল জলিল তরফদারের ছেলে।
প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, প্রায় পাঁচ বছর আগে ইসলামী শরিয়াহ মোতাবেক মোছা. জেসমিন খাতুনের (২৩) সঙ্গে রুবেলের বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই দাম্পত্য জীবনে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে তাদের মধ্যে বিরোধ চলছিল। গত ১৭ এপ্রিল পারিবারিক কলহের জেরে জেসমিন খাতুন বাবার বাড়িতে চলে যান।
পরবর্তীতে স্ত্রীকে আনতে শ্বশুরবাড়িতে গেলে পূর্বপরিকল্পিতভাবে স্ত্রী জেসমিন খাতুন, তার ভাই মিজানুর রহমান (৩৮) এবং আরও কয়েকজন মিলে রুবেলকে বাঁশের লাঠি, লোহার রড ও কাঠ দিয়ে মারধর করে গুরুতর আহত করে।
স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে ভুরুঙ্গামারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। পরে অবস্থার অবনতি হলে তাকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়, যেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত ২৪ এপ্রিল রাতে তার মৃত্যু হয়।
এ ঘটনায় ২৫ এপ্রিল নিহতের বাবা বাদী হয়ে ভুরুঙ্গামারী থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
র্যাব জানায়, পরবর্তীতে র্যাব-১৩ (রংপুর) ও র্যাব-১ (উত্তরা)-এর যৌথ অভিযানে ২৯ এপ্রিল বিকেলে গাজীপুর জেলার বাসন থানার কলম্বিয়া রোড এলাকায় অভিযান চালিয়ে মামলার এক নম্বর আসামি মিজানুর রহমান ও দুই নম্বর আসামি জেসমিন খাতুনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
র্যাব-১৩ রংপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বিপ্লব কুমার গোস্বামী বলেন, হত্যা, অপহরণ ও ধর্ষণসহ গুরুতর অপরাধ দমনে তাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।



