Jannah Theme License is not validated, Go to the theme options page to validate the license, You need a single license for each domain name.
আন্তর্জাতিকএশিয়ামধ্যপ্রাচ্য

সৈকতে চিংড়ির স্তূপ, খেতে নিষেধ করেছে কৃষি মন্ত্রণালয়

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: অনেকেই ভাবেন, সাগরের তীরে হঠাৎ মরা মাছ বা চিংড়ি ভেসে উঠলেই বুঝি বড় কোনো দূষণ বা দুর্ঘটনা ঘটেছে। বাস্তবে বিষয়টা সবসময় তেমন নয়—কখনো কখনো এটি একেবারেই প্রাকৃতিক প্রক্রিয়ার ফল।

সম্প্রতি মিরবাত, দোফার-এর একটি সৈকতে ঠিক এমনই দৃশ্য দেখা গেছে। সেখানে টন টন ছোট লাল চিংড়ি তীরে ভেসে এসে বালুচর ঢেকে ফেলেছে। দেখতে অস্বাভাবিক লাগলেও বিশেষজ্ঞদের তদন্তে জানা গেছে, এর পেছনে কোনো দূষণ বা বিষাক্ত বর্জ্যের হাত নেই।

পরীক্ষায় দেখা যায়, এগুলো আসলে সাধারণ চিংড়ি নয়, বরং ক্রিল—অত্যন্ত ছোট ও সংবেদনশীল সামুদ্রিক প্রাণী। এদের শরীর পরিবেশের সামান্য পরিবর্তনও সহ্য করতে পারে না।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এমন ঘটনার পেছনে মূলত তিনটি কারণ কাজ করে। প্রথমত, পানিতে অক্সিজেনের ঘাটতি। গভীর সমুদ্রে কখনো কখনো এমন অঞ্চল তৈরি হয়, যেখানে অক্সিজেন খুব কম থাকে—এতে এই প্রাণীগুলো শ্বাস নিতে না পেরে মারা যায়। দ্বিতীয়ত, পানির তাপমাত্রার হঠাৎ পরিবর্তন। সামান্য ওঠানামাও এদের জন্য মারাত্মক হতে পারে। তৃতীয়ত, প্রবল সাগরস্রোত, যা এসব দুর্বল প্রাণীকে গভীর পানি থেকে অগভীর অঞ্চলে ঠেলে এনে ফেলে, যেখানে তারা টিকে থাকতে পারে না।

বিজ্ঞানীরা আরও জানিয়েছেন, এই ধরনের ঘটনা ওমানইয়েমেন উপকূলে নিয়মিতই ঘটে—প্রতি এক থেকে তিন বছর পরপর এমন দৃশ্য দেখা যায়। আগে শনাক্ত হওয়া এক প্রজাতির নামও জানা গেছে: Challengerosergia umitakae

এই ছোট প্রাণীগুলোকে বিজ্ঞানীরা “ইন্ডিকেটর স্পিসিস” বলেন—অর্থাৎ সমুদ্রের পরিবেশে কোনো পরিবর্তন হলে সবার আগে এদের ওপরই তার প্রভাব পড়ে। তাই এদের আচরণ অনেক সময় সমুদ্রের ভেতরের অবস্থার ইঙ্গিত দেয়।

তথ্যসূত্র: মাসকাট ডেইলি, আরাবিয়া ওয়েদার

সংশ্লিষ্ট খবর

Back to top button