
ডাকসু নেতা এ বি জুবায়ের ও মুসাদ্দিক আলী ইবনে মোহাম্মদকে রাজধানীর শাহবাগ থানা থেকে ওসির রুম পর্যন্ত মারতে মারতে নিয়ে যাওয়া হয় বলে অভিযোগ করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভিপি সাদিক কায়েম।
শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) দুপুরে ডাকসু ভবনের সামনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের তিনি এ তথ্য জানান।
সাদিক কায়েম বলেন, “যখন শাহবাগ থানায় ডাকসুর এ বি জুবায়ের, মুসাদ্দিকসহ আরও কয়েকজন গিয়েছিল, তাদেরকে থানার গেট থেকে একদম ওসির রুম পর্যন্ত মারতে মারতে নিয়ে যাওয়া হয়।”
তিনি প্রশ্ন তোলেন, “থানার মধ্যে যদি একজন নাগরিকের আইনের অধিকার না থাকে, তাহলে বাংলাদেশের আইন কোথায়, বিচার কোথায়?”
তিনি আরও বলেন, “যে ছেলে আবদুল্লাহ আল মাহমুদ তার জীবনের নিরাপত্তার জন্য থানায় জিডি করতে গিয়েছিল, তার জিডি নেওয়া হয়নি; বরং তাকে থানার মধ্যে আটকে রাখা হয়েছে। দুপুর থেকে রাত পর্যন্ত তাকে থানায় রাখা হয়। পরে তাকে ধানমন্ডি থানায় নেওয়া হয়।”
সাদিক কায়েম অভিযোগ করেন, তারা পুলিশের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের কাছে জানতে চেয়েছিলেন, কোন ফৌজদারি অপরাধের ভিত্তিতে একজন ব্যক্তিকে থানায় আটকে রাখা হলো। তিনি দাবি করেন, পুলিশ জানিয়েছে এটি “উপরের নির্দেশে” করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, আহত এ বি জুবায়ের ও মুসাদ্দিক ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা নেওয়ার পর বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয় মেডিকেল সেন্টারে আছেন। আঘাতের কারণে তাদের শারীরিক অবস্থা এখনও দুর্বল।



