Jannah Theme License is not validated, Go to the theme options page to validate the license, You need a single license for each domain name.
গ্রাম বাংলাদেশবাংলাশিক্ষা

টাকা নিয়ে উধাও শিক্ষক, ২০ শিক্ষার্থীর এসএসসি পরীক্ষা অনিশ্চিত

মাদারীপুর প্রতিনিধি: মাদারীপুরে ফরম পূরণের প্রায় ৩ লাখ টাকা নিয়ে উধাও খণ্ডকালীন সহকারী শিক্ষক ও এক অফিস সহকারী। ফলে আসেনি ২০ শিক্ষার্থীর এসএসসি পরীক্ষার প্রবেশপত্র। এতে পরীক্ষা দেওয়া অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে তাদের।

সোমবার সকালে এ ঘটনার প্রতিবাদে বিদ্যালয় ক্যাম্পাসে চেয়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ করেন শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা।

জানা যায়, মাদারীপুর সদর উপজেলার মোস্তফাপুর বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ে মূল্যায়ন পরীক্ষায় দুই বিষয়ে ফেল করে ২০ শিক্ষার্থী। তাদের এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের আশ্বাস দিয়ে বিদ্যালয়ের খণ্ডকালীন সহকারী শিক্ষক সোহেল মোড়ল ও অফিস সহায়ক নুর আলম লিটন জনপ্রতি ১৫ হাজার টাকা করে নেন; কিন্তু ফরম পূরণের জন্য শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে নেওয়া ৩ লাখ টাকা ব্যাংকে জমা দেননি সহকারী শিক্ষক কিংবা অফিস সহায়ক। ফলে আসেনি ওই ২০ শিক্ষার্থীর এসএসসি পরীক্ষার প্রবেশপত্র।

বিষয়টি জানতে পেরে সোমবার সকালে বিদ্যালয় মাঠে জড়ো হন শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা। অভিযুক্তদের বিচার দাবিতে শুরু হয় আন্দোলন। খবর পয়ে ঘটনাস্থলে এসে প্রায় আড়াই ঘণ্টা পর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে উপজেলা প্রশাসন।

আবৃত্তি শিকদার নামে এক শিক্ষার্থী জানায়, আমার কাছ থেকে ১৫ হাজার টাকা নিয়েছেন সোহেল স্যার। আমি প্রস্তুতি নিয়েছিলাম পরীক্ষা দেওয়ার। কিন্তু প্রবেশপত্র আসেনি। এক বছর পিছিয়ে গেলাম। এ ঘটনার আমি বিচার চাই।

আয়েশা আক্তারের বাবা সুমন খান বলেন, শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ নিয়ে যারা ছিনিমিনি খেলে তাদের কঠিন বিচার হওয়া উচিত। এ ঘটনায় প্রধান শিক্ষক ও সহকারী শিক্ষক দায় নিতে চায় না। তারাও জড়িত থাকতে পারে। আমরা সবাই সুষ্ঠু তদন্তপূর্বক বিচার চাই।

বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক মিজানুর রহমান খান বলেন, ঘটনার পর মোবাইল ফোন বন্ধ করে লাপাত্তা অভিযুক্ত শিক্ষক ও অফিস সহকারী। তাদের দোষ পাওয়া গেলে আমরা বিচার চাই। শিক্ষার্থীদের সঙ্গে এমন ঘটনা মেনে নেওয়ার মতো না।

মাদারীপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ওয়াদিয়া শাবাব জানান, এ ব্যাপারে প্রধান শিক্ষক বোরহান উদ্দিনকে তদন্ত করে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে। প্রতিবেদনের পর অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে নেওয়া হবে ব্যবস্থা। এছাড়া অভিযুক্ত দুইজনকে সাময়িক বরখাস্ত করার জন্য নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

প্রসঙ্গত, দুই বছর আগে খণ্ডকালীন শিক্ষক হিসেবে বিদ্যালয়ে যোগদান করেন সোহেল মোড়ল। আর অফিস সহায়ক হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে কর্মরত নূর-ই আলম লিটন।

সংশ্লিষ্ট খবর

Back to top button