
নীলফামারীতে এক মালয়েশিয়া প্রবাসীর স্ত্রীর কাছে বিয়ের প্রস্তাব দিতে গিয়ে এক পুলিশ সদস্যকে ঘিরে অস্বাভাবিক পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। পরে স্থানীয়দের হস্তক্ষেপে তাকে আটক করা হলেও মুচলেকা দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়।
ঘটনাটি ঘটে শুক্রবার রাত ১১টার দিকে ডোমার উপজেলা এলাকায়।
আটক ওই ব্যক্তির নাম আতিকুর রহমান, যিনি নীলফামারী জেলা পুলিশ লাইন্সে কর্মরত ছিলেন। তার বাড়ি কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার হরিরামপুর এলাকায়।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আতিকুর রহমান ওই পরিবারের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে পরিচিত ছিলেন। তিনি নিজেকে ‘ধর্ম বাবা’ পরিচয় দিয়ে শ্বশুরবাড়ির সদস্যদের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তোলেন এবং নিয়মিত যাতায়াত করতেন। সেই পরিচয়ের সূত্র ধরেই প্রবাসীর স্ত্রীর সঙ্গে তার যোগাযোগ বাড়ে।
পরবর্তীতে পারিবারিক সমস্যার কারণে ওই নারী কয়েক মাস বাবার বাড়িতে অবস্থান করছিলেন। এই সময়ে আতিকুর তার সঙ্গে যোগাযোগ রাখেন এবং বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলাপ-আলোচনাও চলতে থাকে।
শুক্রবার তিনি ওই নারীর বাড়িতে গিয়ে বিয়ের প্রস্তাব দেন। বিষয়টি নিয়ে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এবং স্থানীয়রা তাকে একটি ঘরে আটকে রাখে।
ওই নারী জানান, পারিবারিক জটিলতার সময় আতিকুর তার পাশে ছিলেন এবং বিভিন্ন বিষয়ে সহযোগিতা করতেন। তবে পরবর্তী পরিস্থিতিতে সম্পর্ক ঘিরে নানা জটিলতা তৈরি হয় বলে তিনি উল্লেখ করেন।
অন্যদিকে পরিবারের পক্ষ থেকে বলা হয়, আতিকুর দীর্ঘদিন ধরে তাদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বজায় রেখে আসছিলেন, যা পরে সন্দেহের কারণ হয়ে দাঁড়ায়।
ঘটনার খবর পেয়ে ডোমার থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে উদ্ধার করে। পরে স্থানীয়দের সঙ্গে সমঝোতার ভিত্তিতে মুচলেকা নিয়ে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়।
নীলফামারী জেলা পুলিশ জানিয়েছে, পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।



