Jannah Theme License is not validated, Go to the theme options page to validate the license, You need a single license for each domain name.
রাজনীতিবিএনপি

‎​বগুড়ায় মেলার ইজারা নিয়ে বিএনপির দু’গ্রুপে সংঘর্ষ

বগুড়ার সোনাতলা উপজেলায় লোহাগাড়া মেলার উন্মুক্ত ডাককে কেন্দ্র করে বিএনপির দুই গ্রুপের মধ্যে চরম উত্তেজনা ও সংঘর্ষের মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। এ সময় পেশাগত দায়িত্ব পালনরত সাংবাদিকদের লাঞ্ছিত করা ও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগও উঠেছে।

বৃহস্পতিবার দুপুর আনুমানিক ৩টার দিকে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে মেলার ইজারা প্রক্রিয়া চলাকালে এ ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ ও উপজেলা প্রশাসন দ্রুত হস্তক্ষেপ করে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলা হলরুমে লোহাগাড়া মেলার উন্মুক্ত ডাক চলাকালে দিগদাইড় ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাফিরুল ইসলাম সাফি ও সহ-সভাপতি হাবিবুর রহমানসহ তৃণমূলের একটি অংশ ভেতরে প্রবেশের চেষ্টা করেন। তবে হলের মূল ফটকে তাদের বাধা দেন পৌর যুবদল ও উপজেলা যুবদল-ছাত্রদলের একটি গ্রুপ। এতে দুই পক্ষের মধ্যে তীব্র বাকবিতণ্ডা ও ধাক্কাধাক্কি শুরু হয়।

ঘটনার সংবাদ সংগ্রহ ও ভিডিও ধারণ করতে গেলে সাংবাদিক আমিরুল ইসলামের ওপর চড়াও হয় এক পক্ষ। অভিযোগ অনুযায়ী, কয়েকজন মিলে তার ক্যামেরা ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে এবং তাকে গালিগালাজসহ প্রাণনাশের হুমকি দেয়।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সোনাতলা থানার ওসি কবির হোসেনসহ পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে সাংবাদিককে উদ্ধার করে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে নিয়ে যায়। পরে অভিযুক্তদের পক্ষ থেকে সংবাদ প্রকাশ না করার জন্য হুঁশিয়ারি দেওয়া হয় বলেও অভিযোগ রয়েছে।

এদিকে মেলার সরকারি ডাক ১ লাখ ২৫ হাজার টাকা নির্ধারিত থাকলেও একটি প্রভাবশালী মহল ৫০ হাজার টাকায় ইজারা নেওয়ার চেষ্টা করছিল বলে অভিযোগ উঠেছে। এ সংক্রান্ত অনিয়মের অভিযোগ পাওয়ার পর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মেলার ডাক কার্যক্রম স্থগিত করেন।

পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে পরে, যখন সাংবাদিকদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া পোস্টকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। সন্ধ্যায় সোনাতলা বড় বাজার ও সোনালী ব্যাংক মোড় এলাকায় সাংবাদিকদের ঘিরে ধরে হুমকি ও অপমানজনক মন্তব্য করা হয় বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

ঘটনার পর সোনাতলা প্রেসক্লাবের সাংবাদিকরা তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে ঐক্যবদ্ধ কর্মসূচির ঘোষণা দিয়েছেন। বিষয়টি জেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন ও স্থানীয় থানাকে অবহিত করা হয়েছে।

সোনাতলা থানার ওসি কবির হোসেন জানিয়েছেন, ঘটনাস্থলে গিয়ে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং অভিযোগগুলো তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সংশ্লিষ্ট খবর

Back to top button