যু/দ্ধবিরতির জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছিলেন ট্রাম্প

ইরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতির জন্য বেশ আগ্রহী হয়ে উঠেছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এ লক্ষ্যেই যুক্তরাষ্ট্র পাকিস্তানের ওপর চাপ সৃষ্টি করে, যেন তারা ইরানকে যুদ্ধ থামাতে রাজি করায়।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ফাইন্যান্সিয়াল টাইমস-এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়, কয়েক সপ্তাহ ধরে ট্রাম্প প্রশাসন ইসলামাবাদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছিল। তাদের উদ্দেশ্য ছিল ইরানকে একটি অস্থায়ী যুদ্ধবিরতিতে রাজি করানো এবং গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়া।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্র কোনো নিরপেক্ষ মধ্যস্থতাকারী নয়; বরং নিজেদের স্বার্থে পাকিস্তানকে একটি কার্যকর মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করেছে। একটি মুসলিমপ্রধান প্রতিবেশী দেশ হিসেবে পাকিস্তানের মাধ্যমে প্রস্তাব দিলে তা ইরানের কাছে বেশি গ্রহণযোগ্য হতে পারে—এমন ধারণা থেকেই এই কৌশল নেওয়া হয়।
এই সময় ট্রাম্প একদিকে ইরানের বিরুদ্ধে কঠোর হুমকি দিচ্ছিলেন, অন্যদিকে দাবি করছিলেন যে তেহরান নাকি যুদ্ধবিরতির জন্য আগ্রহী। তবে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর মতে, বাস্তবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে যুক্তরাষ্ট্রই বেশি তৎপর ছিল।
প্রতিবেদন আরও জানায়, পাকিস্তানের সামরিক নেতৃত্ব ইরানের রাজনৈতিক ও সামরিক কর্মকর্তাদের সঙ্গে গোপনে বার্তা আদান-প্রদান করছিল। শেষ পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র, ইসরাইল ও ইরান দুই সপ্তাহের একটি অস্থায়ী যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়।
বিশ্লেষকদের মতে, তেলের দাম বৃদ্ধি এবং ইরানের দৃঢ় অবস্থান ট্রাম্প প্রশাসনকে দ্রুত সমাধানের পথে এগোতে প্রভাবিত করেছিল।



