কুষ্টিয়া ব্যাটালিয়ন (৪৭ বিজিবি) সীমান্ত এলাকায় চোরাচালান প্রতিরোধে ধারাবাহিক ও বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় মাদকদ্রব্য, অবৈধ ঔষধ এবং কীটনাশক উদ্ধার করেছে। গত ০২ ও ০৩ এপ্রিল কুষ্টিয়ার বিভিন্ন সীমান্ত এলাকায় পৃথক এই অভিযানগুলো পরিচালিত হয়।
সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ০৩ এপ্রিল ২০২৬ তারিখ ভোর আনুমানিক ০৩:৫০ ঘটিকায় কুষ্টিয়া ব্যাটালিয়নের (৪৭ বিজিবি) অধীনস্থ জামালপুর বিওপির একটি চৌকষ টহল দল জামালপুর মাঠে অভিযান চালায়। অভিযানে ২০ বোতল ভারতীয় ফেন্সিডিল, ০৫ বোতল মদ এবং ৬৫০ পিস সিপ্রোহেপ্টাডিন ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। বিজিবির উপস্থিতি টের পেয়ে ২ জন আসামী কৌশলে পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়। উদ্ধারকৃত মালামালের আনুমানিক বাজার মূল্য প্রায় ২,৪০,৫০০/- (দুই লক্ষ চল্লিশ হাজার পাঁচশত) টাকা।
এর আগে, গত ০২ এপ্রিল দিবাগত রাত আনুমানিক ১১:৪৫ ঘটিকায় ধলা বিওপির অধীনস্থ মোল্লা পাড়া মাঠে অভিযান চালিয়ে মালিকবিহীন অবস্থায় ১০ বোতল ভারতীয় মদ এবং ২,০০০ পিস ডেক্সামেথাসন ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়, যার আনুমানিক মূল্য ৬,১৫,০০০/- টাকা।
একই রাতে আনুমানিক ১১:২৫ ঘটিকায় ঠোটারপাড়া বিওপির অধীনস্থ আহলে হাদীস মসজিদ মাঠে পরিচালিত অন্য একটি অভিযানে ১০ বোতল মদ ও ৫০০ পিস ডেক্সামেথাসন ট্যাবলেট জব্দ করা হয়। উদ্ধারকৃত এই মালের সিজার মূল্য ১,৬৫,০০০/- টাকা।
এছাড়াও ০২ এপ্রিল বিকেলে শেওড়াতলা বিওপির হিজলতলা মাঠে অভিযান চালিয়ে মালিকবিহীন অবস্থায় ২৭ প্যাকেট/বোতল ভারতীয় কীটনাশক উদ্ধার করে বিজিবি। যার বাজার মূল্য ৯,৩০০/- টাকা।
এ বিষয়ে কুষ্টিয়া ব্যাটালিয়নের (৪৭ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল রাশেদ কামাল রনি জানান, সীমান্তে মাদক ও চোরাচালান দমনে বিজিবি সর্বদা ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করছে।
তিনি আরও বলেন,
“দেশের যুবসমাজকে মাদকের মরণব্যাধি থেকে রক্ষা করা এবং জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আমাদের এই কঠোর নজরদারি ও পরিকল্পিত অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।”



