Jannah Theme License is not validated, Go to the theme options page to validate the license, You need a single license for each domain name.
আন্তর্জাতিকএশিয়ামধ্যপ্রাচ্যযুক্তরাষ্ট্র

‘আগামী দুই থেকে তিন সপ্তাহের মধ্যে ইরান ‘প্রস্তর যুগে’ ফিরে যাবে’

জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, মধ্যপ্রাচ্যে মিত্রদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই যুক্তরাষ্ট্র ইরানবিরোধী যুদ্ধে জড়িয়েছে। বুধবার (১ এপ্রিল) দেওয়া ওই ভাষণে তিনি বলেন, তেহরানের বিরুদ্ধে ওয়াশিংটনের এই সামরিক পদক্ষেপ আসলে অঞ্চলে মার্কিন মিত্রদের দীর্ঘদিনের প্রচেষ্টারই অংশ। তার এই বক্তব্য পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর আগের মন্তব্যের সঙ্গে মিল রয়েছে, যেখানে ইসরায়েলের নিরাপত্তা উদ্বেগকে যুদ্ধের অন্যতম কারণ হিসেবে তুলে ধরা হয়েছিল।

জ্বালানি খাতে স্বয়ংসম্পূর্ণতার কথা উল্লেখ করে ট্রাম্প বলেন, মধ্যপ্রাচ্যের তেল বা অন্যান্য সম্পদের ওপর যুক্তরাষ্ট্র নির্ভরশীল নয়; বরং তারা সেখানে গেছে মিত্রদের সহায়তা করতে। ৩২ দিনের এই যুদ্ধে মার্কিন বাহিনীকে ‘অপ্রতিরোধ্য’ বলে আখ্যা দিয়ে তিনি জানান, কৌশলগত লক্ষ্য অর্জনে তারা অনেক দূর এগিয়েছে। তবে হামলা বন্ধের নির্দিষ্ট সময় না জানালেও তিনি সতর্ক করে বলেন, আগামী দুই থেকে তিন সপ্তাহের মধ্যে ইরানের ওপর আরও ভয়াবহ আঘাত হানা হতে পারে।

ইরানের শীর্ষ নেতৃত্বের প্রসঙ্গ টেনে ট্রাম্প দাবি করেন, আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি ও আলী লারিজানিকে ঘিরে নানা ঘটনা ঘটেছে এবং বাস্তবে শাসনব্যবস্থায় পরিবর্তন এসেছে। তিনি বলেন, বর্তমানে খামেনির ছেলে মোজতবা দায়িত্বে থাকলেও তাকে প্রকাশ্যে খুব একটা দেখা যাচ্ছে না। ট্রাম্পের ভাষ্য অনুযায়ী, ইরানের নৌ ও বিমানবাহিনী ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং দেশটির নেতৃত্বের বড় অংশ অকার্যকর হয়ে পড়েছে।

এদিকে ইসরায়েলসহ সৌদি আরব, কাতার, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কুয়েত ও বাহরাইনের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানালেও তিনি ওমানের নাম উল্লেখ করেননি। উল্লেখ্য, ওমান এই সংঘাতের বিরোধিতা করে মধ্যস্থতার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। যুদ্ধের ফলে উপসাগরীয় অঞ্চলে এখন পর্যন্ত প্রায় ৩০ জন নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে, যদিও ইসরায়েল তাদের ক্ষয়ক্ষতির পূর্ণ তথ্য প্রকাশ করেনি।

বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম বাড়লেও ট্রাম্প এটিকে সাময়িক সমস্যা বলে উল্লেখ করেন। হরমুজ প্রণালী প্রসঙ্গে তিনি বলেন, যুদ্ধ শেষ হলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে আসবে এবং ইরান পুনর্গঠনের স্বার্থে আবার তেল রপ্তানি শুরু করবে।

সংশ্লিষ্ট খবর

Back to top button