
সিরাজগঞ্জ জেলার তাড়াশ উপজেলায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের জব্দ করা পেট্রোল ‘গায়েব’ হওয়ার অভিযোগ ঘিরে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। এ ঘটনায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নুসরাত জাহান-এর বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে।
অভিযোগ অনুযায়ী, বিনসাড়া বাজারে এক অভিযানে ৩৯৫ লিটার পেট্রোল জব্দ করা হয়। পরে সেগুলো বিক্রির জন্য একটি ফিলিং স্টেশনে নেওয়া হয়। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, দুই ড্রামের মধ্যে এক ড্রাম পেট্রোল বিক্রি করা হলেও অন্য ড্রামটি ‘গায়েব’ হয়ে যায় এবং সেটি ইউএনও নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন।
এ ঘটনায় স্থানীয় বাসিন্দা মো. মোরছালিন খান জেলা প্রশাসকের কাছে লিখিত অভিযোগ করেছেন। অভিযোগে বলা হয়েছে, ঘটনাস্থলে উপস্থিত থেকে তিনি পুরো বিষয়টি প্রত্যক্ষ করেছেন এবং ভিডিওও ধারণ করেছেন।
তবে ইউএনও নুসরাত জাহান দাবি করেছেন, জব্দ করা সব পেট্রোল নিয়ম অনুযায়ী বিক্রি করা হয়েছে এবং সেই অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হয়েছে। তিনি অভিযোগটিকে আনুষ্ঠানিকভাবে এখনো হাতে পাননি বলেও জানান।
এদিকে জেলা প্রশাসক মো. আমিনুল ইসলাম জানিয়েছেন, বিষয়টি তদন্তে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। সোমবার (৩০ মার্চ) সরেজমিনে তদন্ত কার্যক্রম চালানো হবে এবং তদন্ত শেষে প্রকৃত ঘটনা প্রকাশ পাবে।
ঘটনাটি নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে নানা প্রশ্ন ও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে, বিশেষ করে জব্দকৃত সম্পদের স্বচ্ছতা ও ব্যবস্থাপনা নিয়ে।
জেলার তাড়াশ উপজেলায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের জব্দ করা পেট্রোল ‘গায়েব’ হওয়ার অভিযোগ ঘিরে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। এ ঘটনায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নুসরাত জাহান-এর বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে।
অভিযোগ অনুযায়ী, বিনসাড়া বাজারে এক অভিযানে ৩৯৫ লিটার পেট্রোল জব্দ করা হয়। পরে সেগুলো বিক্রির জন্য একটি ফিলিং স্টেশনে নেওয়া হয়। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, দুই ড্রামের মধ্যে এক ড্রাম পেট্রোল বিক্রি করা হলেও অন্য ড্রামটি ‘গায়েব’ হয়ে যায় এবং সেটি ইউএনও নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন।
এ ঘটনায় স্থানীয় বাসিন্দা মো. মোরছালিন খান জেলা প্রশাসকের কাছে লিখিত অভিযোগ করেছেন। অভিযোগে বলা হয়েছে, ঘটনাস্থলে উপস্থিত থেকে তিনি পুরো বিষয়টি প্রত্যক্ষ করেছেন এবং ভিডিওও ধারণ করেছেন।
তবে ইউএনও নুসরাত জাহান দাবি করেছেন, জব্দ করা সব পেট্রোল নিয়ম অনুযায়ী বিক্রি করা হয়েছে এবং সেই অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হয়েছে। তিনি অভিযোগটিকে আনুষ্ঠানিকভাবে এখনো হাতে পাননি বলেও জানান।
এদিকে জেলা প্রশাসক মো. আমিনুল ইসলাম জানিয়েছেন, বিষয়টি তদন্তে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। সোমবার (৩০ মার্চ) সরেজমিনে তদন্ত কার্যক্রম চালানো হবে এবং তদন্ত শেষে প্রকৃত ঘটনা প্রকাশ পাবে।
ঘটনাটি নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে নানা প্রশ্ন ও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে, বিশেষ করে জব্দকৃত সম্পদের স্বচ্ছতা ও ব্যবস্থাপনা নিয়ে।



