ইরানে সেনা পাঠানোর সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসলেন ট্রাম্প

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধ চতুর্থ সপ্তাহে গড়ালেও সেখানে মার্কিন স্থলসেনা পাঠানোর কোনো পরিকল্পনা বর্তমানে নেই।
বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) হোয়াইট হাউসের ওভাল অফিসে জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানাই তাকাইচি-এর সঙ্গে এক বৈঠকের পর সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এই মন্তব্য করেন।
যদিও সরাসরি সেনা মোতায়েনের সম্ভাবনা নাকচ করা হয়েছে, ট্রাম্প বলেছেন, যদি তার এমন কোনো পরিকল্পনা থাকতোও, তিনি তা আগেভাগে প্রকাশ করতেন না।
ট্রাম্প দাবি করেছেন, হামলায় ইরানের পারমাণবিক সক্ষমতা ‘বিধ্বস্ত’ হয়েছে। তবে ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পারমাণবিক উপকরণ জব্দের বিষয়টি বর্তমানে ওয়াশিংটন বিবেচনা করছে, যার জন্য উল্লেখযোগ্য সংখ্যক সেনা প্রয়োজন হতে পারে। এছাড়া হরমুজ প্রণালিতে তেলবাহী ট্যাংকারগুলোর নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করতে নৌ ও বিমানবাহিনী মোতায়েনের পরিকল্পনা রয়েছে।
এর আগে চলতি মাসের শুরুতে ট্রাম্প নিউ ইয়র্ক পোস্টকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ইরানে স্থলসেনা পাঠানোর সম্ভাবনা একেবারে উড়িয়ে দেননি। মার্কিন প্রতিরক্ষাসচিব পিট হেগসেথও ২ মার্চের এক ব্রিফিংয়ে জানিয়েছিলেন, সরকার কতদূর সামরিক পদক্ষেপ নেবে তা জনসমক্ষে প্রকাশ করা হবে না।
২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে চলমান সংঘাতে এখন পর্যন্ত ১৩ জন মার্কিন সেনা নিহত এবং প্রায় ২০০ জন আহত হয়েছেন, যা নিশ্চিত করেছে ইউএস সেন্ট্রাল কমান্ড।
সূত্র: টাইম।



