Jannah Theme License is not validated, Go to the theme options page to validate the license, You need a single license for each domain name.
আন্তর্জাতিকএশিয়ামধ্যপ্রাচ্যযুক্তরাষ্ট্র

লারিজানির মৃ/ত্যু/র খবর নিশ্চিত করল ইরান

ইরানের শীর্ষ পর্যায়ের দুই গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি—আলি লারিজানি এবং গোলামরেজা সোলেইমানি—নিহত হয়েছেন বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। ইসরায়েল এ হত্যাকাণ্ডের দায় স্বীকার করার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম বিষয়টি নিশ্চিত করেছে বলে জানা যায়।

ইরানের আধা সরকারি সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে বলা হয়, সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালনকারী লারিজানি দীর্ঘদিন দেশ ও ইসলামী বিপ্লবের জন্য কাজ করার পর “শহীদ হওয়ার মর্যাদা” লাভ করেছেন। অন্যদিকে, ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) পৃথকভাবে সোলেইমানির মৃত্যুর বিষয়টিও নিশ্চিত করেছে।

এর আগে, চলমান সংঘাতের প্রেক্ষাপটে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হয়েছেন বলে দাবি করা হয়, যার পর থেকে পরিস্থিতি আরও উত্তেজনাপূর্ণ হয়ে ওঠে। সেই ধারাবাহিকতায় লারিজানিকে এখন পর্যন্ত নিহতদের মধ্যে সর্বোচ্চ পদমর্যাদার কর্মকর্তা হিসেবে উল্লেখ করা হচ্ছে।

সম্প্রতি তেহরানে আল-কুদস দিবসের এক সমাবেশে তাকে সর্বশেষ দেখা গিয়েছিল, যেখানে তিনি প্রেসিডেন্টের সঙ্গে অংশ নেন। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে লারিজানি ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকারসহ নানা গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেন এবং পারমাণবিক আলোচনায়ও ভূমিকা রাখেন।

ইসরায়েলের পক্ষ থেকে এ ধরনের টার্গেটেড হামলাকে সমর্থন জানানো হয়েছে। দেশটির প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু দাবি করেন, এসব পদক্ষেপের মাধ্যমে ইরানের শাসনব্যবস্থাকে দুর্বল করা এবং জনগণকে নিজেদের ভবিষ্যৎ নির্ধারণের সুযোগ করে দেওয়া হচ্ছে।

বিশ্লেষকদের মতে, এ ধরনের হামলা প্রতীকী ও মানসিক দিক থেকে গুরুত্বপূর্ণ হলেও, এতে ইরানের সামগ্রিক ক্ষমতার কাঠামো দ্রুত ভেঙে পড়বে—এমন সম্ভাবনা কম। বরং এতে আঞ্চলিক উত্তেজনা আরও বাড়তে পারে।

সব মিলিয়ে, ঘটনাগুলো মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাতকে আরও জটিল ও অনিশ্চিত করে তুলছে।

সংশ্লিষ্ট খবর

Back to top button