Jannah Theme License is not validated, Go to the theme options page to validate the license, You need a single license for each domain name.
আন্তর্জাতিকইউরোপএশিয়ামধ্যপ্রাচ্যযুক্তরাষ্ট্র

যু/দ্ধবাজ খ্রিষ্টান নেতাদের পাপস্বীকারের পরামর্শ দিলেন পোপ

খ্রিষ্টান রাজনৈতিক নেতাদের যুদ্ধ শুরু করার আগে নিজেদের বিবেক যাচাই করা এবং গির্জায় গিয়ে ‘পাপস্বীকার’ (কনফেশন) করার আহ্বান জানিয়েছেন পোপ লিও।

শুক্রবার ভ্যাটিকান-এ আয়োজিত এক সম্মেলনে যাজকদের উদ্দেশে দেওয়া বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। পোপ বলেন, যারা যুদ্ধ শুরু করেন বা সশস্ত্র সংঘাতে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেন, সেই খ্রিষ্টান নেতাদের উচিত তারা সত্যিই যিশু খ্রিষ্ট-এর শিক্ষা অনুসরণ করছেন কি না তা গভীরভাবে বিবেচনা করা।

তিনি প্রশ্ন রেখে বলেন,
“সশস্ত্র সংঘাতের জন্য যাদের ওপর গুরুতর দায়িত্ব বর্তায়, সেই খ্রিষ্টানদের কি নিজের বিবেক পরীক্ষা করার এবং কনফেশনে যাওয়ার মতো সাহস আছে?”

পোপের মতে, কনফেশন বা পাপস্বীকারের মাধ্যমে ব্যক্তি আত্মশুদ্ধি লাভ করতে পারে এবং সমাজে শান্তি ও ঐক্য প্রতিষ্ঠার পথ তৈরি হয়। তবে তার ভাষণে তিনি কোনো নির্দিষ্ট দেশ, নেতা বা যুদ্ধের নাম উল্লেখ করেননি।

তবে আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, বর্তমান বৈশ্বিক পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে পোপের বক্তব্যটি স্পষ্টতই বিশ্ব রাজনীতির প্রভাবশালী খ্রিষ্টান নেতাদের উদ্দেশেই বলা হয়েছে বলে বিশ্লেষকদের ধারণা।

প্রসঙ্গত, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল-এর যৌথ বিমান হামলার পর মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। এ নিয়ে বিভিন্ন মহলে বিতর্ক চলছে।

এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রেসবিটারিয়ান খ্রিষ্টান পরিবারে বড় হয়েছেন। তার প্রশাসনের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভান্স এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও ক্যাথলিক ধর্মাবলম্বী।

ক্যাথলিক চার্চ সাধারণত যিশুর অহিংস নীতির কারণে যুদ্ধের বিরোধিতা করে। তবে ঐতিহাসিকভাবে চার্চে ‘Just War’ বা ন্যায়সংগত যুদ্ধের একটি নৈতিক ধারণাও রয়েছে, যেখানে নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে যুদ্ধকে নৈতিকভাবে গ্রহণযোগ্য হিসেবে বিবেচনা করা হয়—যেমন অন্যায় আক্রমণ প্রতিহত করা।

এর আগে রবার্ট ম্যাক এলরয় মন্তব্য করেছিলেন, ইরানে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের সামরিক হামলা চার্চের ‘জাস্ট ওয়ার’ মানদণ্ড পূরণ করে না এবং এটিকে নৈতিকভাবে বৈধ বলা কঠিন।

সংশ্লিষ্ট খবর

Back to top button