
ঢাকা-৯ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ডা. তাসনিম জারা অভিযোগ করেছেন যে, তার পোলিং এজেন্টদের কেন্দ্রে প্রবেশের ক্ষেত্রে নানা অজুহাত দেখানো হচ্ছে। বৃহস্পতিবার সকালে নির্বাচনী এলাকা পরিদর্শন শেষে তিনি সাংবাদিকদের জানান, “পোলিং এজেন্টদের ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে না বা বের করে দেওয়া হচ্ছে। বিভিন্ন বানোয়াট নিয়ম বানিয়ে এ অজুহাত দেখানো হচ্ছে। কেউ বলছে—আপনারা তো এখানকার ভোটার নন। অথচ এ নিয়ম নেই যে পোলিং এজেন্ট হতে হলে আসনের ভোটার হতে হবে। পুরুষ কেন্দ্রের নারী এজেন্টকেও বের করা হচ্ছে।”
তিনি আরও জানান, ফোন নিয়ে কেন্দ্রে প্রবেশের ক্ষেত্রেও বাধা দেওয়া হচ্ছে। “ফোন নিয়ে ঢোকা যাবে, তবে ব্যবহার করা যাবে না—এই যুক্তিতেই আমাদের এজেন্টদের বের করা হচ্ছে বা ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে না। ভোট হচ্ছে, মানুষ ভোট দিচ্ছে, কিন্তু এভাবে কি নির্বাচন গ্রহণযোগ্য হতে পারে?”
দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের কাছে অসংগতিগুলো নিয়ে প্রশ্ন করলে কোনো স্পষ্ট উত্তর পাওয়া যায়নি বলে অভিযোগ করেন তিনি। “কেন্দ্রে গিয়ে বিষয়গুলো সমাধান করতে হচ্ছে। প্রার্থী হিসেবে প্রিসাইডিং অফিসারকে প্রশ্ন করা গেলেও তারা কোনো সঠিক ব্যাখ্যা দিতে পারছেন না,” বলেন তাসনিম জারা।
এইদিন সকাল ৮টা ৪০ মিনিটে তিনি খিলগাঁওয়ের তালতলা প্রাইম স্কুল অ্যান্ড কলেজ কেন্দ্রে ভোট দেন। যেহেতু তাঁর নিবন্ধিত ভোটার এলাকা ঢাকা-১১, নিজের আসন ঢাকা-৯-এ ভোট দিতে পারেননি। এখানে তিনি বিএনপির প্রার্থী হাবিবুর রশীদ হাবিবের বিপরীতে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
তাসনিম জারা ইসির ওয়েবসাইট ও ভোটার স্লিপ অ্যাপ অনুযায়ী ঢাকা-১১ আসনের ভোটার। তাই নির্বাচনী আইন অনুযায়ী তিনি সেখানে নিজের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন। ভোট দেওয়ার পর তিনি নির্বাচনী এলাকা পরিদর্শনে বের হন।



