রুমিন ফারহানাকে জাতীয় পার্টির সমর্থন

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল–আশুগঞ্জ–বিজয়নগরের একাংশ) আসনে জাতীয় পার্টির প্রার্থী নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর পর দলটির স্থানীয় নেতাকর্মীরা স্বতন্ত্র প্রার্থী ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানার প্রতি সমর্থন ঘোষণা করেছেন।
সোমবার (১০ ফেব্রুয়ারি) রাতে জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল হামিদ ভাসানীর নেতৃত্বে এ ঘোষণা দেওয়া হয়। এ সময় সরাইল উপজেলার শাহবাজপুরে রুমিন ফারহানার প্রধান নির্বাচনি কার্যালয়ে গিয়ে কয়েকশ নেতাকর্মী তাকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান এবং হাঁস প্রতীকের পক্ষে অবস্থান নেন।
এর আগে রোববার লাঙ্গল প্রতীকের প্রার্থী জিয়াউল হক মৃধা প্রচারণায় বাধা, নেতাকর্মীদের হুমকি এবং নিরাপত্তাহীনতার অভিযোগ তুলে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দেন। তার সরে দাঁড়ানোর পরদিনই জাপার নেতাকর্মীরা রুমিন ফারহানার প্রতি সমর্থন জানালেন।
সমর্থন ঘোষণাকালে উপজেলা জাপার আহ্বায়ক এমদাদুল হক, সদস্য সচিব মোজাহিদুল ইসলাম, আশুগঞ্জ উপজেলা জাপার সভাপতি হানিফ সরকার, সাধারণ সম্পাদক শাহ আলম সরকারসহ নির্বাচনি এলাকার ১৯টি ইউনিয়নের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
এ সময় আবদুল হামিদ ভাসানী বলেন, দলের মহাসচিব শামীম হায়দার পাটওয়ারীর নির্দেশনায় তারা হাঁস প্রতীকের প্রার্থী রুমিন ফারহানাকে নৈতিক সমর্থন দিয়েছেন। তার ভাষ্য অনুযায়ী, এলাকার মানুষ রুমিন ফারহানার কাছে নিজেকে নিরাপদ মনে করে এবং স্বতঃস্ফূর্তভাবে তার পক্ষে ভোট দেবে—এমনটাই তারা প্রত্যাশা করছেন।
অন্যদিকে রুমিন ফারহানা অভিযোগ করে বলেন, নির্বাচনের শেষ সময়ে এসে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীরা কালোটাকা ছড়ানো, পেশিশক্তি প্রদর্শন এবং তার নেতাকর্মীদের ভয়ভীতি দেখানোর মতো কর্মকাণ্ডে জড়াচ্ছেন।
উল্লেখ্য, এ আসনে জিয়াউল হক মৃধাসহ মোট নয়জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ছিলেন, যার মধ্যে দুজন ছিলেন স্বতন্ত্র। এর আগে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মোবারক হোসেন দলীয় সিদ্ধান্তে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থীকে সমর্থন দিয়ে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেন।
সবশেষ পরিস্থিতিতে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা গড়ে উঠেছে স্বতন্ত্র প্রার্থী ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা এবং বিএনপি জোট মনোনীত জমিয়তে ওলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি মাওলানা জুনায়েদ আল হাবিবের মধ্যে।



