Jannah Theme License is not validated, Go to the theme options page to validate the license, You need a single license for each domain name.
নির্বাচনবাংলাদেশরাজনীতি

এবারের নির্বাচনে ৮৯১ কোটিপতি প্রার্থী, শতকোটির মালিক ২৭ জন : টিআইবি

ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনে কোটিপতি প্রার্থীর সংখ্যা ৮৯১ জন। একই ভিত্তিতে ২৭ জন প্রার্থী শত-কোটিপতি। প্রার্থীদের অস্থাবর ও স্থাবর সম্পদের বর্তমান মূল্যের ভিত্তি করে হলফনামা বিশ্লেষণের পর এ তথ্য জানিয়েছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)।

এদিকে দুজন প্রার্থী হলফনামায় দ্বৈত নাগরিকত্বর তথ্য লুকিয়েছেন বলে জানিয়েছে টিআইবি।

তবে নীতিমালার কারণে তাদের পরিচয় দিতে অপারগতা জানান টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ইফতেখারুজ্জামান। তিনি বলেন, ‘সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে আমরা তথ্যগুলো জানাব।’

বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) রাজধানীর ধানমন্ডিতে ‘নির্বাচনে হলফনামায় প্রার্থী পরিচিতি: ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন-২০২৬’ শীর্ষক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য তুলে ধরে টিআইবি।

ঋণ

নির্বাচনে মোট প্রার্থীর সাড়ে ২৫ শতাংশরই কোনো না কোনো ঋণ বা দায় আছে।

এসব প্রার্থীর মোট ঋণের পরিমাণ ১৮ হাজার ৮৬৮ কোটি ৫২ লাখ টাকা। সর্বশেষ পাঁচ নির্বাচনের মধ্যে এবার ঋণ বা দায়গ্রস্ত প্রার্থী সবচেয়ে কম হলেও তাদের মোট ঋণের পরিমাণ সবচেয়ে বেশি।মামলা

নির্বাচনে অংশ নেওয়া ৫৩০ জন প্রার্থীর বিরুদ্ধে বর্তমানে মামলা আছে, যা মোট প্রার্থীর ২২ দশমিক ৬৬ শতাংশ। আর অতীতে মামলা ছিল ৭৪০ জন বা ৩১ দশমিক ৬৪ শতাংশ প্রার্থীর বিরুদ্ধে।

শিক্ষাগত যোগ্যতা

শিক্ষাগত যোগ্যতার দিক থেকে প্রায় ৭৬ দশমিক ৪২ শতাংশ প্রার্থী স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রিধারী। এর মধ্যে স্নাতক ২৮ দশমিক ৩৭ শতাংশ, সবচেয়ে বেশি স্নাতকোত্তর ৪৭ দশমিক ৯৮ শতাংশ। উচ্চ মাধ্যমিক পাস করেছেন ৮ দশমিক ৯৪ শতাংশ, মাধ্যমিক ৬ শতাংশের কিছু বেশি।

বিগত পাঁচটি নির্বাচনের তুলনায় স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রিধারী এবারই সবচেয়ে বেশি। নবম নির্বাচনে ছিল ৭১ দশমিক ২৩ শতাংশ, দশম নির্বাচনে ৭১ দশমিক ৯১ শতাংশ, একাদশে ৬৭ দশমিক ৩০ শতাংশ এবং দ্বাদশে ছিল ৫৯ দশমিক ৩৩ শতাংশ।

এবার ৭৬ দশমিক ৪২ শতাংশ।

নারীর অংশগ্রহণ

নির্বাচনী প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নারীর অংশগ্রহণ খুবই কম। এবার নির্বাচনে ৫ শতাংশ নারীর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা যায়নি। মোট প্রার্থীর মাত্র ৪ দশমিক শূন্য ২ শতাংশ নারী। জামায়াত ইসলামীর নেতৃত্বাধীন জোটের ৬ জন এবং বিএনপির নেতৃত্বাধীন জোটে নারী প্রার্থী ২৪ জন।

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর সংখ্যা চূড়ান্ত করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। সারা দেশে ২৯৮টি নির্বাচনী এলাকায় মোট ১ হাজার ৯৮১ জন প্রার্থী চূড়ান্তভাবে ভোটের লড়াইয়ে নামছেন। এর মধ্যে নিবন্ধিত ৫১টি রাজনৈতিক দলের মনোনীত প্রার্থী ১ হাজার ৭৩২ জন এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে রয়েছেন ২৪৯ জন।

ইসির তথ্য অনুযায়ী, এবারের নির্বাচনে সর্বোচ্চ ২৮৮টি আসনে প্রার্থী দিয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। এছাড়া ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ২৫৩টি আসনে এবং বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ২২৪টি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে।

অন্যান্য রাজনৈতিক দলের মধ্যে জাতীয় পার্টি ১৯২টি, গণঅধিকার পরিষদ ৯০টি, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ৩৪টি, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ৩২টি এবং আমার বাংলাদেশ পার্টি (এবি পার্টি) ৩০টি আসনে তাদের প্রার্থী দিয়েছে।

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি (বৃহস্পতিবার) সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত ৩০০ সংসদীয় আসনে বিরতিহীনভাবে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। একই দিনে সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হবে। স্বচ্ছ ব্যালট বাক্সে ব্যালট পেপারের মাধ্যমে এই ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।

সংশ্লিষ্ট খবর

Back to top button