
বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থীরা না বসলে তাদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানিয়েছেন দলের মুখপাত্র মাহদী আমীন।
মাহদী আমিন বলেন, ‘দেখুন গণঅভ্যুত্থান হয়েছে, তার আগে ফ্যাসিবাদবিরোধী একটা আন্দোলন ছিল। দীর্ঘ সময় দেশের সাধারণ মানুষ যেমন ভোট দিতে পারেন নাই, একইসঙ্গে এটা সত্য অনেক ত্যাগী ও সংগ্রামী রাজনীতিবিদ রয়েছেন-যারা কখনো নির্বাচনে অংশ নিতে পারেননি। ফলে এতো দীর্ঘ সময় পরে যখন নির্বাচন হচ্ছে, বিএনপির মতো একটা বড় রাজনৈতিক দল এখানে অভ্যন্তরীণ প্রতিযোগিতা থাকবে। কিন্তু প্রতিটি আসনে তো একজনের বেশি মনোনয়ন দেয়া সম্ভব হয় না।’
তিনি বলেন, ‘অনেক আসনে অনেক প্রার্থী রয়েছেন, অনেক ত্যাগী অনেক সংগ্রামী তারা। দলের জন্য অনেক ভূমিকা রয়েছে। কারো কারো ভেতরে অনুভূতি রয়েছে, উনি আসনটিতে মনোনয়ন পেতে পারতেন। প্রত্যাহারের সময় চলে গেছে। এখন নির্বাচন পরিচালনা কমিটি থেকে আলাপ-আলোচনা করা হবে, বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্ব থেকে আলোচনা করা হবে। তারপরে যদি কেউ প্রার্থী থাকেন অবশ্যই দল থেকে তাদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেয়া হবে।’
বিএনপির মুখপাত্র বলেন, ‘আমরা অবশ্যই চাইব, পুরো দল এক হয়ে ধানের শীষের কাণ্ডারির জন্য সর্বোচ্চ আন্তরিকতা নিয়ে কাজ করবেন। যারা এটি করবেন না তাদের বিরুদ্ধে অবশ্যই দল সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেবে।’
গতকাল ছিল নির্বাচনে প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন। সারাদেশে প্রায় ৭৬ জন বিএনপির ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থী মাঠে রয়েছেন। ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠানের আগের তিন সপ্তাহে ২৯৮ আসনের মধ্যে এক চতুর্থাংশটিতে ভোটের প্রচারে দেখা মিলবে বিএনপির বিদ্রোহীদের।



