
জাতীয় নির্বাচনের আগেই গণভোট অনুষ্ঠিত হতে হবে, এখনো এই সিদ্ধান্তে অনড় রয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।
তিনি বলেন, ‘প্রধান উপদেষ্টার ভাষণের কিছু কিছু বিষয়ে আরও ক্লারিফিকেশন দরকার। আমরা নিজেরা বসে পর্যালোচনা করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেব।’
জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট অনুষ্ঠিত হলে এর গুরুত্ব অনেকটা চাপা পড়ে যাবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
এর আগে জাতির উদ্দেশ্যে দেওয়া ভাষণে প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস জানিয়েছেন, নির্বাচনের দিন গণভোট আয়োজন করা হবে।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিনে গণভোটের আয়োজন করা হবে। অর্থাৎ জাতীয় নির্বাচনের সঙ্গে মিলিয়ে ফেব্রুয়ারি মাসের প্রথমার্ধে একই দিনে গণভোট অনুষ্ঠিত হবে। এতে কোনোভাবেই সংস্কারের লক্ষ্য ব্যাহত হবে না। নির্বাচন আরও উৎসবমুখর ও সাশ্রয়ী হবে। গণভোটের আয়োজনের জন্য প্রয়োজনীয় আইন উপযুক্ত সময়ে প্রণয়ন করা হবে।



