
হাইব্রিড মডেলের চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে ভারত তাদের সবগুলো ম্যাচ খেলছে দুবাই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে। ফাইনালও হবে এই ভেন্যুতে, যেখানে তাদের প্রতিপক্ষ নিউজিল্যান্ড খেলেছে একটি ম্যাচ। দুই দলের জন্য ভারসাম্যপূর্ণ কন্ডিশন বজায় রাখতে একেবারেই নতুন উইকেট ব্যবহার না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে আইসিসি।
আগামী রোববার শিরোপার লড়াইয়ে মুখোমুখি হবে ভারত ও নিউজিল্যান্ড। এই ম্যাচের জন্য এমন একটি পিচ ব্যবহার করা হবে, তা অর্ধেক সতেজ। আসরে ভারতের খেলা আগের চারটি ম্যাচ হয়েছে ভিন্ন ভিন্ন উইকেটে।
টাইমস অব ইন্ডিয়ার প্রতিবেদন অনুযায়ী, ফাইনাল ম্যাচটি একই উইকেটে হবে, যেখানে মাঠে গড়িয়েছিল ভারত ও পাকিস্তান গ্রুপ পর্যায়ের ম্যাচ, যা হয়েছিল দুই সপ্তাহ আগে ২৩শে ফেব্রুয়ারি খেলেছিল। ফলে মাঝের সময়ে পিচ বিশ্রাম পেয়ে অনেকটাই সতেজ হয়ে যাবে।
পাকিস্তানের বিপক্ষে সেই ম্যাচে ভারত জিতেছিল ছয় উইকেটে। আগে ব্যাট করা পাকিস্তান ৪৯.৪ ওভারে ২৪১ রানে গুটিয়ে গিয়েছিল। চায়নাম্যান স্পিনার কুলদীপ ইয়াদাভ নয় ওভারে ৪০ রানে ৩ উইকেট নিয়েছিলেন। দ্বিতীয় সেরা বোলার অলরাউন্ডার হার্দিক পান্ডিয়া আট ওভারে ৩১ রানে শিকার করেন দুটি উইকেট।
তবে প্রাধান্য দেখিয়েছিলেন মূলত স্পিনাররাই। কুলদীপের সাথে আকসার প্যাটেল ও রবীন্দ্র জাদেজা মিলে করেন ২৬ ওভার। সম্মিলিতে মাত্র ১২৯ রানে তারা নেন ৫ উইকেট।
রান তাড়ায় ভারত মাত্র ৪২.৩ ওভারে জয় তুলে নেয়। বিরাট কোহলি করেন তার ক্যারিয়ারের ৫১তম সেঞ্চুরি। পাকিস্তানের সেরা বোলার ছিলেম লেগ স্পিনার আবরার আহমেদ, যিনি ১০ ওভারে মাত্র ২৮ রানে শিকার করেন এক উইকেট।
ফলে ফাইনালেও দুই দলের স্পিনাররা বাড়তি সুবিধা পেতেও পারেন। যদিও ১৪ দিনের বিরতিতে বদলে যেতে পারে উইকেটের চরিত্র।
উল্লেখ্য, দুবাইয়ে রয়েছে ১০টি ভিন্ন ভিন্ন উইকেট। এখানকার পিচগুলো প্রস্তুত করা আমিরাত ক্রিকেট বোর্ডের (ইসিবি) দ্বারা এবং তত্ত্বাবধানের দায়িত্বেও আছে তারাই।



