Jannah Theme License is not validated, Go to the theme options page to validate the license, You need a single license for each domain name.
খেলাধুলাফুটবল

ফিক্সিংকাণ্ডে ৫ বছর নিষিদ্ধ ক্রিকেটার সোহেলী

ফিক্সিং ও দুর্নীতির দায়ে বাংলাদেশের নারী ক্রিকেটার সোহেলী আক্তারকে পাঁচ বছরের জন্য সব ধরনের ক্রিকেটে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)।

ফিক্সিং সংক্রান্ত পাঁচটি ধারা ভঙ্গের দায়ে শাস্তিটি পেয়েছেন তিনি। আইসিসির দুর্নীতি দমন ইউনিটের (আকসু) কাছে দায় স্বীকার করে নিয়েছেন সোহেলী।

২০১৩ সালে আন্তর্জাতিক অভিষেক হলেও খুব বেশি ম্যাচ খেলার সুযোগ হয়নি। সর্বশেষ জাতীয় দলের হয়ে খেলেছেন ২০২২ সালে। ২০২৩ সালে দক্ষিণ আফ্রিকায় অনুষ্ঠিত হয় মেয়েদের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। মূলত সেখানেই সোহেলির বিরুদ্ধে বাংলাদেশ দলের এক সতীর্থকে ফিক্সিং প্রস্তাব দেওয়ার অভিযোগ ওঠে।

যদিও যে ক্রিকেটারকে অসাধু প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল, তিনি সেই ফাঁদে পা না দিয়ে সরাসরি আইসিসির দুর্নীতি দমন কমিশনকে (আকসু) বিষয়টি জানান।

পরবর্তীকালে সেই ঘটনার ভিত্তিতে অনুসন্ধানের পর আজ মঙ্গলবার (১১ ফেব্রুয়ারি) সোহেলিকে সব ধরনের ক্রিকেট থেকে পাঁচ বছরের জন্য নিষেধাজ্ঞার ঘোষণা দিয়েছে আইসিসি। গতকাল সোমবার (১০ ফেব্রুয়ারি) থেকে তার এই শাস্তি কার্যকর হয়েছে।

আইসিসির বিবৃতিতে জানানো হয়– দুর্নীতি বিরোধী ইউনিটের ২.১.১, ২.১.৩, ২.১.৪, ২.৪.৪ এবং ২.৪.৭ ধারা লঙ্ঘন করেছেন সোহেলি। যেখানে ২.১.১ ধারায় রয়েছে– ম্যাচ ফিক্সিং বা যেকোনো উপায়ে খেলার ফলাফল, অগ্রগতি, আচরণ বা অন্যান্য দিক অনৈতিকভাবে প্রভাবিত করা বা এর সঙ্গে জড়িত থাকা, যার মধ্যে ইচ্ছাকৃতভাবে খারাপ পারফরম্যান্স করাও অন্তর্ভুক্ত।

এছাড়া ২.১.৩ ধারায় বলা আছে—ম্যাচ ফিক্সিং বা বাজির উদ্দেশ্যে নির্দিষ্ট কোনো ঘটনা ঘটানোর জন্য ঘুষ বা অন্য কোনো পুরস্কার গ্রহণ, গ্রহণে সম্মতি প্রদান, প্রস্তাব করা বা গ্রহণের চেষ্টা করা। ২.১.৪ ধারায়, অন্য কোনো অংশগ্রহণকারীকে ওপরের যে কোনো বিধান লঙ্ঘনের জন্য প্ররোচিত করা, উৎসাহিত করা, নির্দেশনা প্রদান করা বা কোনোভাবে সহায়তা করার কথা বলা হয়েছে।

আকসুর ২.৪.৪ ধারা মতে– অ্যান্টি-করাপশন ইউনিটকে বিলম্ব না করে দুর্নীতির জন্য করা কোনো প্রস্তাব বা আমন্ত্রণের সম্পূর্ণ তথ্য জানাতে ব্যর্থ হওয়া। ধারা ২.৪.৭-এ আছে, অ্যান্টি-করাপশন ইউনিটকে তদন্তে বাধা সৃষ্টি করা বা বিলম্ব করা, যার মধ্যে প্রাসঙ্গিক নথিপত্র বা অন্যান্য তথ্য গোপন করা, বিকৃত করা বা ধ্বংস করাও অন্তর্ভুক্ত।

সংশ্লিষ্ট খবর

Back to top button