Jannah Theme License is not validated, Go to the theme options page to validate the license, You need a single license for each domain name.
খেলাধুলাক্রিকেট

দাপুটে জয়ে সিরিজ শেষ করলো বাংলাদেশ

টার্গেট খুবই কম হলেও প্রথম দুই ম্যাচে যেভাবে জয়ের সহজ সমীকরণ থেকে হেরে গেছে বাংলাদেশ, তাতে রান তাড়ায় পুরোপুরি স্বস্তি ছিল না। তবে পেশাদার ব্যাটিংয়ে সংশয়ের সব মেঘ স্রেফ উড়িয়ে দিলেন তানজিদ হাসান তামিম ও সৌম্য সরকার। শতরানের অবিচ্ছিন্ন জুটিতে দলকে জেতানোর পাশাপাশি হতাশার সিরিজে যোগ করলেন কিছু প্রাপ্তিও।

তিন ম্যাচ সিরিজের শেষ টি-টোয়েন্টি হিউস্টনের প্রাইরি ভিউ ক্রিকেট কমপ্লেক্সে বাংলাদেশ জিতেছে ১০ উইকেটে। ১০৫ রান নাজমুল হোসেন শান্তর দল তাড়া করে ফেলে মাত্র ১১.৪ ওভারেই। সিরিজ তাতে শেষ হয়েছে ২-১ ব্যবধানে। প্রথম দুই ম্যাচ জিতেছিল যুক্তরাষ্ট্র।

সৌরভ নেত্রাভালকার প্রথম ওভারে দুটি চার মেরে তানজিদ বার্তা দেন, ভয়ডরহীন ক্রিকেটেই টার্গেটের পেছনে ছুটবেন তারা। শ্যাডলি ভ্যান শাল্কউইকের এক ওভারে চার-ছক্কা মেরে সুর বজায় রাখেন সৌম্য। তাতে পাওয়ার প্লেতেই ৪৮ রান তুল ফেলে বাংলাদেশ, যা প্রায় শেষই করে ম্যাচের সামান্যতম লড়াইয়ের সম্ভাবনাও।

এরপর দুই ব্যাটার যেন প্রতিযোগিতায় নামেন, কার আগে কে পঞ্চাশে পা রাখবেন এবং ম্যাচ শেষ করবেন। তাতে রান বাড়তে থাকে দ্রুতই। সৌম্যর তুলনায় তুলনামূলক বেশি আগ্রাসী তানজিদই তাতে বিজয়ী হন। ৩৯ বলে তুলে নেন ফিফটি। এই ফরম্যাটে শেষ ৮ ম্যাচে এটি তার তৃতীয় ফিফটি, যার দুটিই রান তাড়ায়।

১১তম ওভারে নিসর্গ প্যাটেলকে বাউন্ডারি মেরে ম্যাচ জয়ী শটটি খেলেন সৌম্য। ২৮ বলে ৪টি চার ও ২ ছক্কায় তার ব্যাট থেকে আসে ৪৩ রান। আর তানজিদ তার ৫৮ রানের ইনিংস সাজান ৫ চার ও ৩ ছক্কায়। বল খেলেন ৪২টি।

এর আগে বল হাতে একাদশে দুই পরিবর্তন নিয়ে নামা বাংলাদেশের শুরুটা একেবারেই হয়নি। তানজিম হাসান সাকিবের এক ওভারে চারটি চার মারেন অ্যান্ড্রিস গাউস। আক্রমণে এসেই ছক্কা হজম করেন সাকিব আল হাসান শেষ পর্যন্ত সাকিবই দেন ব্রেকথ্রু। শিকার বানান ২৭ রান করা গাউসকে, যা ছিল তিন ফরম্যাটে মিলিয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে তার ৭০০তম উইকেট। প্রথম বাংলাদেশি বোলার হিসেবে হিসেবে এই কীর্তি গড়েন সাকিব।

৪৬ রানের ওপেনিং জুটির ইতি ঘটার পরই মোড়ক লাগে যুক্তরাষ্ট্রের ইনিংসে। মুস্তাফিজুরের পাশাপাশি রিশাদ হোসেনের ভীষণ কিপ্টে বোলিংয়ে রান তুলতেই যেন ভুলে যান প্রতিপক্ষের ব্যাটাররা।

৬ থেকে ৯, এই চার ওভারে আসে মাত্র আট রান। একটি মেইডেন সহ পাওয়ার প্লের শেষ ওভারে শায়ান জাহাঙ্গীরকে আউট করেন মুস্তাফিজুর। দুর্দান্ত সেই স্পেলে এরপর নিতিশ কুমারকেও শিকার ধরেন অভিজ্ঞ এই পেসার। এরই মাঝে চার ওভারে মাত্র ৭ রান দেন রিশাদ হোসেন, সাথে একটি মেইডেন। আর উইকেট নেন ২০ বলে ৭ রান করা মিলিন্দ কুমারের। নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারানো যুক্তরাষ্ট্র এরপর আর ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি। কোনোমতে পার হয় দলীয় শতক।

শেষ ওভারে জোড়া উইকেটে ফাইফার পূর্ণ হয় মুস্তাফিজুরে। তার ১০ রানে ৬ উইকেট এখন আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে বাংলাদেশের সেরা বোলিং ফিগার।

ক্রীড়া ডেস্ক। বাংলা টিভি

সংশ্লিষ্ট খবর

Back to top button