জমে উঠেছে প্রথম ধাপের উপজেলা নির্বাচনের প্রচার প্রচারণা

নেত্রকোনায় জমে উঠেছে ১ম ধাপের উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের প্রচার প্রচারণা। প্রতীক বরাদ্দের পর পরই মাঠ চষে বেড়াচ্ছেন প্রার্থীরা। তবে প্রচারনায় বাঁধা দেয়ার অভিযোগ বিভিন্ন প্রার্থীদের। সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেয়ার কথা বলেছেন জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা। এদিকে, দিনাজপুরের হাকিমপুর উপজেলায় নেই, তেমন নির্বাচনী আমেজ। ভাইস চেয়ারম্যান এবং মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান দুটি পদেই, বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন দু’জন। মাঠে রয়েছে শুধু ৩ জন চেয়ারম্যান প্রার্থী। ।
আগামী ৮ মে নেত্রকোনার দুর্গাপুর ও কলমাকান্দায় অনুষ্ঠিত হবে, প্রথম ধাপের উপজেলা পরিষদ নির্বাচন। সকাল থেকেই প্রার্থীরা ভোটারদের বাড়ি বাড়ি যাচ্ছেন। উন্নয়নের নানা প্রতিশ্রুতি দিয়ে ভোট প্রার্থনা করছেন।
কলমাকান্দায়, স্থানীয় সংসদ সদস্য এলাকায় অবস্থান করে এক প্রার্থীকে দলীয় প্রার্থী হিসেবে প্রচারনা চালানোর অভিযোগ করেছেন চেয়ারম্যান প্রার্থী। এছাড়া, স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতারা দলীয় প্রার্থী বলে এলাকায় প্রচারনা চালিয়ে, আচরনবিধি লংঘন করার অভিযোগ করেছেন এক প্রার্থী।
বসে নেই ভাইস চেয়ারম্যান ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থীরাও। তবে যোগ্য প্রার্থীকে ভোট দিতে চান সাধারন ভোটাররা।রুনা আক্তার, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান।স্থানীয় সংসদ সদস্যরা এলাকায় থাকতে কোন বাঁধা নেই। তবে কোন প্রার্থীর পক্ষে অবস্থান নেয়ার অভিযোগ পেলে, ব্যবস্থা নেয়ার কথা জানালেন, জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা।
এদিকে,দিনাজপুরের হাকিমপুর উপজেলা নির্বাচনে ভোটের আমেজে অনেকটা ভাটা পড়েছে, দুইজন ভাইস-চেয়ারম্যান প্রার্থী বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হওয়া এবং বেশি সংখ্যক প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থী না থাকায়।
এখন প্রতিদ্বন্দ্বিতা চলছে শুধু চেয়ারম্যান পদে তিন জনের মধ্যে। একজন বর্তমান চেয়াম্যান হারুন উর রশিদ,অন্যজন সাবেক পৌর মেয়র কামাল হোসেন রাজ, আরও একজন আছেন আমিনুল ইসলাম। তারা তিনজনই আওয়ামী লীগ নেতা।হাকিমপুর উপজেলায় মোট ভোটার সংখ্যা ৮০ হাজার ৩ শ ৬৭ জন।
বাংলা টিভি / বুলবুল



