Jannah Theme License is not validated, Go to the theme options page to validate the license, You need a single license for each domain name.
আন্তর্জাতিকইউরোপ

মধ্যপ্রাচ্য নিয়ে ইউরোপের নীতির সমালোচনা করেছে অ্যামনেস্টি

অ্যামনেস্টির রিপোর্টে এবার সবচেয়ে বেশি প্রাধান্য পেয়েছে মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি। সেই সূত্রেই ইউরোপের দেশগুলির মনোভাব অবস্থান নিয়ে রিপোর্টে মন্তব্য করা হয়েছে।

রিপোর্ট পেশ করে জার্মানিতে অ্যামনেস্টির সেক্রেটারি জেনারেল জুলিয়া ডাচরো জার্মানির পররাষ্ট্রমন্ত্রী বেয়ারবকের সমালোচনা করেছেন।

তিনি বলেছেন, ”বেয়ারবক তথ্যের ভিত্তিতে মানবাধিকার ভিত্তিক পররাষ্ট্র নীতি অনুসরণ করছেন না।ইসরাইলগাজা সংঘাত নিয়ে ডবল স্ট্যান্ডার্ডএর কথাও বলেছেন অ্যামনেস্টি প্রধান।

রিপোর্টে বলা হয়েছে, ”ইসরাইল যুক্তরাষ্ট্রের পাশাপাশি ইউরোপের কিছু নেতা এবং ইইউ নেতৃত্ব জাতিসংঘের চার্টারে এবং আন্তর্জাতিক মানবাধিকারে উল্লিখিত নীতিগুলি মানছেন না। তাদের আচরণ ডবল স্ট্যান্ডার্ডের উদাহরণ হয়ে থাকছে।

২০২৩এর অক্টোবর হামাসের সন্ত্রাসী হামলা নিয়ে রিপোর্টে বলা হয়েছে, ”হামাস ভয়ংকর অপরাধ করেছে।

যুক্তরাষ্ট্র, ইইউ এবং অনেকগুলি দেশ হামাসকে সন্ত্রাসবাদী সংগঠন বলে ঘোষণা করেছে। অক্টোবর ইসরায়েলে ঢুকে হামাস এক হাজার দুইশ জনকে হত্যা করেছিল এবং প্রায় ২৫০ জনকে অপহরণ করে গাজা ভূখণ্ডে নিয়ে যায় বন্দি করে রাখে।

ডাচরো বলেছেন, ”অ্যামনেস্টি হামাস বা কোনো সংগঠনকেই সন্ত্রাসবাদী সংগঠন বলে অভিহিত করে না, কারণ, আন্তর্জাতিক আইন অনুসারে সন্ত্রাসবাদী সংগঠনের কোনো সংজ্ঞা দেয়া হয়নি।

অ্যামনেস্টির রিপোর্টে বলা হয়েছে, ” অক্টোবরের পর ইসরাইল প্রত্যাঘাতের প্রচার শুরু করে। এরপর বেসামরিক মানুষের উপর, বেসামরিক পরিকাঠামোর উপর নির্বিচারে আক্রমণ শুরু হয়।

রিপোর্টে বলা হয়েছে, ”ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ বলেছে, তারা আন্তর্জাতিক মানবিক আইন মেনে গাজায় আক্রমণ করেছে। কিন্তু বাস্তবে তারা এই আইনের প্রধান বিষয়গুলি লংঘন করেছে।

গত দুই বছর ধরে ইসরাইল ইহুদি সংগঠনগুলি অ্যামনেস্টির প্রবল সমালোচনা করছে। কারণ, আগের রিপোর্টে অ্যামনেস্টি ইসরাইলকেবর্ণবিদ্বেষীবলে অভিযোগ করেছিল। ইসরাইল সেই অভিযোগ খারিজ করে দেয়। ইসরাইলের অভিযোগ, অ্যামনেস্টি ইহুদিবিদ্বেষ বাড়াচ্ছে এবং তারা সংঘাত নিয়ে একপেশে মনোভাব নিয়েছে।

মানবাধিকার নিয়ে: অ্যামনেস্টির সেক্রেটারি জেনারেল অ্যাগনেস ক্যালামার্ড বলেছেন, ”১৯৪৮ সালের সর্বজনীন মানবাধিকারের প্রতিশ্রুতি থেকে বিশ্ব পিছনের দিকে যাচ্ছে।

তিনি বলেছেন, ”২০২৩ সালে অনেক সরকার সমাজ স্বৈরাচারী নীতি নিয়েছে, যার ফলে মতপ্রকাশের অধিকার লিঙ্গসাম্যর উপর আঘাত এসেছে।

এই রিপোর্টে ইউক্রেন যুদ্ধ চীনের আন্তর্জাতিক আইন ভঙ্গের প্রসঙ্গও আছে।

ইউক্রেনে রাশিয়ার আগ্রাসন নিয়ে বলা হয়েছে, ”এর ফলে বারবার যুদ্ধাপরাধ করা হয়েছে। যুদ্ধবন্দিদের উপর অত্যাচার খারাপ ব্যবহার করা হয়েছে। নদীবাঁধ ভেঙে দেয়া, বিদ্যুৎকেন্দ্রের উপর আক্রমণ, খাদ্যশস্য় রপ্তানি পরিকাঠামোর উপর আক্রমণের ফলে পরিবেশগত বিপুল ক্ষতি হয়েছে।ডয়চে ভেলে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক। বাংলা টিভি

 

সংশ্লিষ্ট খবর

Back to top button