বাংলাদেশের হজ ব্যবস্থাপনাকে বিশ্বের মধ্যে একটি মডেল হিসেবে দাঁড় করাতে চাই: ধর্মমন্ত্রী

বাংলাদেশের হজ ব্যবস্থাপনাকে বিশ্বের মধ্যে একটি মডেল হিসেবে দাঁড় করাতে চাই বলে জানিয়েছেন, ধর্মমন্ত্রী মো. ফরিদুল হক খান। স্মার্ট বাংলাদেশ গড়তে হলে আমাদের হজ ব্যবস্থাপনাকে স্মার্ট করতে হবে। স্মার্ট বাংলাদেশ, স্মার্ট হজ এই প্রত্যয়ে কাজ করতে হবে। মঙ্গলবার বিকালে ঢাকা অফিসার্স ক্লাবে হজ এজেন্সিস এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ হাব আয়োজিত আলোচনা, দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
হাবের সভাপতি এম শাহাদাত হোসাইন তসলিম, ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের হজ অনুবিভাগের অতিরিক্ত সচিব মো. মতিউল ইসলাম, হাবের মহাসচিব ফারুক আহমেদ সরদার, সিনিয়র সহসভাপতি মওলানা ইয়াকুব শরাফতীসহ হাবের নেতৃবৃন্দসহ অনান্যরা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
ধর্মমন্ত্রী বলেন, সরকার হজযাত্রীদের কল্যাণে সম্ভাব্য সকল ধরণের ইতিবাচক পদক্ষেপ গ্রহণে বদ্ধপরিকর। আল্লাহর মেহমানগণকে আমরা যথাযথ সম্মানের সাথে হজব্রত পালন করানোর জন্য যাবতীয় উদ্যোগ নিতে সদাপ্রস্তুত। এক্ষেত্রে হাবের সহযোগিতা প্রয়োজন।
ধর্মমন্ত্রী আরও বলেন, আমাদের হজ ব্যবস্থাপনায় কোন দুর্বলতা থাকলে সেগুলো চিহ্নিত করতে হবে এবং এর সম্ভাব্য সমাধানের সকল পথ বের করতে হবে। কী কী পদক্ষেপ নিলে হজযাত্রীগণ আরেকটু বেশি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করবেন সেগুলো নিয়ে আমাদেরকে চিন্তা করতে হবে।
গত দেড় দশকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ উন্নয়নের রোল মডেল হিসেবে বিশ্বে পরিচিতি পেয়েছে। বিশেষ করে হজ ব্যবস্থাপনায় নানা ধরনের ইতিবাচক পরিবর্তন সাধিত হয়েছে। হজ ও উমরাহ ব্যবস্থাপনা আইন ও বিধিমালা প্রণয়ন করা হয়েছে।
আশকোনা হজক্যাম্প হজযাত্রীদের জন্য উপযোগী করা হয়েছে। ই-হজ ব্যবস্থাপনা চালু করা হয়েছে। জেদ্দা হজ টার্মিনালে বাংলাদেশ প্লাজা স্থাপন করা হয়েছে। গত ১৫ বছরে রেকর্ডসংখ্যক ১৩ লাখ ৯০ হাজার ৬৩৫ জন হজযাত্রী হজব্রত পালন করেছেন।
এদেশের হজ ব্যবস্থাপনায় হাব একটি বড় অংশীদার। সুষ্ঠু হজ ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে হাবের ইতিবাচক ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে হজযাত্রায় উদ্বুদ্ধকরণ, হজযাত্রী সংগ্রহ ও হজ বিষয়ক সচেতনতা সৃষ্টি প্রভৃতিক্ষেত্রে হাবের ভূমিকা অত্যন্ত প্রশংসনীয়।
বাংলা টিভি/ রাজ



