
ঢাকার গণপরিবহন সেবার মান বাড়াতে ১৪০টি এসি বাস নামানো হবে বলে জানিয়েছেন, বাংলাদেশ সড়ক পরিবহণ কর্পোরেশনের চেয়ারম্যান মো. তাজুল ইসলাম। সোমবার রেল ও সড়ক বিটের সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে এসব কথা বলেন তিনি। সংগঠনের সভাপতি আনোয়ার হোসেন, সাধারণ সম্পাদক তাওহীদুল ইসলাম, বিআরটিসির বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারসহ অনান্যরা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
বিআরটিসির চেয়ারম্যান তাজুল ইসলাম বলেন, এসি বাসগুলোয় মেট্রোরেলের মতো সুবিধা থাকবে। আরামদায়ক ভাবে নগরবাসী চলাচল করতে পারবেন। প্রাথমিক কার্যক্রম শেষ করে দরপত্র আহ্বান প্রক্রিয়ায় রয়েছে । বিআরটিসি ডুবতে বসেছিল। ২০১৯ সাল পর্যন্ত ঠিক মতো বেতন-ভাতা পরিশোধ করতে পারত না। ২০২০ সালে চেয়ারম্যানের দায়িত্ব নেয়ার পর ঘুরে দাঁড়িয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। বিগত তিন বছরে স্বল্প সংখ্যক বাদে সব সমাধান হয়েছে। পাশাপাশি নতুন সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে।
বিআরটিসির বাস এখন আর পরিত্যক্ত অবস্থায় ফেলে রাখা হয় না উল্লেখ করে তিনি বলেন, দায়িত্ব নেওয়ার সময় দেখেছি বিআরটিসির লোকেরা প্রকল্প তৈরি করতে পারেন না। এরইমধ্যে অনেকটা উন্নয়ন ঘটেছে। আর্কিকুলেটেড বা জোড়া লাগানো দুটি বাসের সংযোগ করা হয় রাবার বেলোজ দিয়ে। বিদেশ থেকে আমদানি করা এমন কিছু বাসের রাবার বেলোজ নষ্ট হওয়ায় বাস গুলো পরিত্যক্ত অবস্থায় ফেলে রাখা হয়েছিল। সেগুলো আমদানি করতে ৩৩ লাখ টাকা করে খরচ পড়ে। বিআরটিসির প্রকৌশলীদের সহযোগিতায় জিনজিরা থেকে পুরাতন যন্ত্রাংশ দিয়ে মাত্র ৪০ হাজার টাকায় তার সমাধান করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, অনেক বাস ব্যবসায়ীর কাছে গল্প শুনেছি এক বা দুটি বাস থেকে তারা শতাধিক বাসের মালিক হয়েছেন। আর বিআরটিসি ক্ষতির মুখে পড়ে। কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন বন্ধ হয়ে যায়। সে অবস্থা থেকে উত্তরণ ঘটেছে। বিআরটিসি সরকারের কোনো ধরনের সহায়তা ছাড়াই চলছে। পূর্বের ৭১ কোটি টাকার ঋণও পরিশোধ করেছে। প্রধানমন্ত্রীর ভুয়সী প্রশংসা পেয়েছে বিআরটিসি। পুরস্কৃত করা হয়েছে।
এছাড়া,কর্মীদের দক্ষ করে তুলতে প্রশিক্ষণ কেন্দ্র ও ল্যাবরেটরিকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করা হয়েছে। ফলে বিআরটিসি পরিবহণে দুর্ঘটনা কমে গেছে বলেও জানান মো. তাজুল ইসলাম।
এন আর/ বাংলা টিভি



