
বিশ্ব পর্যটন দিবস আজ ।সারাবিশ্বের মত পৃথিবীর দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকতের শহর কক্সবাজারেও বর্নাঢ্য আয়োজনে উদযাপিত হচ্ছে। জেলার পর্যটন শিল্পকে বিশ্ব দরবারে তুলে ধরতেই এমন আয়োজন বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। অপরদিকে, পর্যটক’সহ পর্যটন সংশ্লিষ্টদের দাবী,১২০ কিলোমিটার দীর্ঘ সমুদ্র সৈকত থাকার পরও, এর সঠিক ব্যবহার ও ব্যবস্থাপনা না থাকায়, কাঙ্খিত উন্নয়ন হয়নি কক্সবাজারের পর্যটন শিল্পের।
পর্যটন জেলা কক্সবাজারে রেল যোগাযোগ,টেকনাফের সাবরাং এক্সক্লুসিভ ট্যুরিষ্ট জোন ও জালিয়ার দ্বীপ ইকো-ট্যুরিজম প্রকল্প বাস্তবায়ন,মহেশখালী কয়লা বিদ্যুত প্রকল্প,মাতারবাড়ীর গভীর সমুদ্র বন্দর প্রকল্প বাস্তবায়ন’সহ, আরো নানা ক্ষেত্রে চলছে, প্রায় ৪ লক্ষ কোটি টাকার উন্নয়নের কর্মযজ্ঞ। কিন্তু কক্সবাজার চট্টগ্রাম মহাসড়কটি, স্বাধীনতার এতো বছর পরও, ৪লেনে উন্নীত না হওয়ায়, এটির বিরুপ প্রভাব পড়ছে, পর্যটন ক্ষেত্রে।
এছাড়া, সমুদ্র সৈকত এলাকায় যত্রতত্র ময়লা আবর্জনার স্তুপ,সৈকতে অবৈধ ঝুপড়ি দোকান,শহরজুড়ে অপরিকল্পিত নগরায়ন’সহ, নানা অসংগতি বিরাজ করছে, পর্যটন শহরে। এসব অবস্থা বিবেচনা করলে মনে হবে, শুধুমাত্র হোটেল মোটেল গড়ে ওঠা ছাড়া, অভুতপূর্ব উন্নয়ন নেই পর্যটন খাতে। তাই এ শিল্পের বিকাশে, সময়োপযোগী পদক্ষেপ নেয়া প্রয়োজন বলে মনে করেন পর্যটন সংশ্লিষ্টরা। ভক্সপপ….
স্বাধীনতার ৫০ বছর পরও, চট্টগ্রাম কক্সবাজার মহাসড়কটির উন্নয়ন হয়নি।তাই, চট্টগ্রাম থেকে কক্সবাজার পৌঁছুতে, যানজট আর সময়ের অপচয়, পর্যটকদের মাঝে বিরুপ প্রভাব ফেলছে।
এ শিল্পের উন্নয়নে, বর্নাঢ্য বীচ কার্নিভাল সহ, নানা উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে, নতুনত্ব আসবে এ শিল্পে
পর্যটন শিল্পের স্বার্থ রক্ষা ও বিকাশে, সময়োপযোগী পদক্ষেপ বাস্তবায়ন করলে, পর্যটকের পদভারে মুখরিত হয়ে উঠবে, সমুদ্র সৈকত কক্সবাজার
ডেস্ক রিপোর্ট, বাংলা টিভি /শিউলী



