Jannah Theme License is not validated, Go to the theme options page to validate the license, You need a single license for each domain name.
আন্তর্জাতিকইউরোপ

সোমবার থেকে শুরু ইউক্রেনের বন্দর দিয়ে খাদ্যশস্য রপ্তানি

ইউক্রেনের ওদেসা বন্দরে শস্যভর্তি ১৬টি জাহাজ ছেড়ে যাওয়ার অপেক্ষায় আছে। সোমবার ইউক্রেনের বন্দর ছাড়তে পারে শস্য রপ্তানিকারী প্রথম জাহাজটি। তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ানের মুখপাত্র ইব্রাহিম কালিন এ কথা বলেছেন। আল–জাজিরা জানায়, সম্প্রতি সম্প্রচারমাধ্যম কানাল–৭–কে সাক্ষাত্কার দিয়েছেন কালিন। তিনি বলেছেন, ইস্তাম্বুলের যৌথ সমন্বয়কেন্দ্র সম্ভবত খুব শিগগির রপ্তানি রুটের চূড়ান্ত কাজ শেষ করবে।

এর আগে গত শুক্রবার রুশ বাহিনীর ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ইউক্রেনের বেশ কয়েকজন যুদ্ধবন্দী নিহত হওয়া নিয়ে নতুন উত্তেজনা শুরু হয়। তবে এর মধ্যেও ইউক্রেনের বন্দরগুলো দিয়ে খাদ্যশস্য রপ্তানি শুরুর প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ইউক্রেনের কয়েকটি অঞ্চলে তীব্র লড়াই চলতে থাকায় খাদ্যশস্য রপ্তানি নিয়ে অনিশ্চয়তা থেকে গেছে। তবে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির কার্যালয় থেকে গত শনিবার বলা হয়, জাহাজগুলো অবশ্যই রওনা করবে।

ওদেসায় নিযুক্ত আল-জাজিরার প্রতিবেদক জন হেনড্রেন বলেছেন, ২ কোটি ৫০ লাখ টন শস্য আফ্রিকা, মধ্যপ্রাচ্য ও বিশ্বের অন্যান্য দেশে পাঠানো হবে। জাতিসংঘের মধ্যস্থতায় গত ২২ জুলাই মস্কো ও কিয়েভের মধ্যে স্বাক্ষরিত শস্য রপ্তানি চুক্তির আওতায় শস্যগুলো পাঠানো হচ্ছে।

হেনড্রেন আরও বলেন, ইউক্রেন ছাড়ার অপেক্ষায় থাকা এ জাহাজগুলোর জন্য একটি নিরাপদ পথ নিশ্চিত করা হয়েছে। শস্য রপ্তানির প্রস্তুতি দেখতে শুক্রবার জেলেনস্কি ওদেসা অঞ্চলের চেরনোমরস্ক বন্দর পরিদর্শন করেছেন বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

সাংবাদিকদের জেলেনস্কি বলেন, যুদ্ধ শুরুর পর থেকে এই প্রথম জাহাজে চালান ওঠানো হচ্ছে। তবে জেলেনস্কির আশার বাণী সত্ত্বেও এখন পর্যন্ত কোনো জাহাজ ইউক্রেনের বন্দর ছেড়ে যায়নি।

ইউক্রেনের মাইকোলাইভ শহরে ব্যাপক হামলা চালিয়েছে রুশ বাহিনী। তাদের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ইউক্রেনের অন্যতম ধনী ওলেক্সি ভাদাতুরস্কি ও তাঁর স্ত্রী নিহত হয়েছেন। ভাদাতুরস্কি দেশটির অন্যতম বৃহত্তম কৃষি সংস্থা নিবুলনের প্রতিষ্ঠাতা। তিনি ‘হিরো অব ইউক্রেন’ পুরস্কারও পেয়েছিলেন। জেলেনস্কি ভাদাতুরস্কির মৃত্যুকে ইউক্রেনের জন্য বড় ক্ষতি বলে বর্ণনা করেছেন। এদিকে ইউক্রেনের পূর্বাঞ্চলীয় শহর দোনেৎস্কেও ব্যাপক লড়াই চলছে। ওই অঞ্চলের বাসিন্দাদের সরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইউক্রেন।

জেলেনস্কি সতর্ক করে বলেছেন, রুশ আগ্রাসনের কারণে ইউক্রেনের ফসল উৎপাদন এ বছর স্বাভাবিক পরিমাণের অর্ধেক হতে পারে। তিনি বলেন, ‘আমাদের প্রধান লক্ষ্য রুশ আক্রমণের ফলে সৃষ্ট বিশ্বব্যাপী খাদ্যসংকট প্রতিরোধ করা। বিকল্পভাবে শস্য রপ্তানির উপায় খুঁজে বের করার চেষ্টা করা হচ্ছে।’

বাংলাটিভি/রাজ

সংশ্লিষ্ট খবর

Back to top button