
ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে তলিয়ে গেছে নগরীসহ সিলেট জেলার বিভিন্ন উপজেলার বিস্তীর্ণ এলাকা।অতীতের সব রেকর্ড ভেঙে দিয়েছে এবারের বন্যা।
এর মধ্যেই শুক্রবার (১৭ জুন) সকাল থেকে সিলেটের প্রত্যন্ত বন্যাকবলিত এলাকা থেকে মানুষকে উদ্ধার করে আশ্রয়কেন্দ্রে আনতে সেনাবাহিনীর সহযোগিতা চেয়েছে জেলা প্রশাসন।
বানভাসি মানুষকে উদ্ধারে সেনাবাহিনী সকাল থেকে কাজ শুরু করেছে। পানি যেভাবে বাড়ছে, তাতে দুশ্চিন্তা আরও বেড়ে গেছে। আমাদের প্রথম কাজ হচ্ছে- বানভাসি মানুষকে উদ্ধার করা।বন্যাকবলিত এলাকায় আটকে পড়া মানুষকে উদ্ধার করতে জেলা প্রশাসন সেনাবাহিনীর সহযোগিতা চেয়েছিল। এরই মধ্যে তারা উদ্ধার কাজে নেমে পড়েছেন।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সিলেটে দ্বিতীয় দফা বন্যায় নগরীসহ ১৩টি উপজেলার সবক’টি এলাকা তলিয়ে গেছে। বাসাবাড়ি, রাস্তাঘাট তলিয়ে মানুষ এখন দিশেহারা। অপরদিকে পানিতে ডুবে আছে কোম্পানীগঞ্জ, লামাকাজী, বিশ্বনাথ, জৈন্তাপুর, জকিগঞ্জ, কানাইঘাট, ওসমানীনগরসহ সব ক’টি এলাকা। সব নদ-নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
কোম্পানীগঞ্জের বাসিন্দা জেলা আওয়ামী লীগ নেতা মজির উদ্দিন বলেন, এত পানি এর আগে দেখিনি। এটা মানবিক বিপর্যয়। মানুষকে খাবার দেওয়ার আগে উদ্ধার করা প্রয়োজন।
বাংলাটিভি/রাজ



